গম্ভীরই এখন ভারতে সবচেয়ে ‘শক্তিশালী’

এখন ভারতীয় দলে সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ গৌতম গম্ভীর। এমনটা ভারতীয় ক্রিকেটে আগে কখনও হয়নি। আগে অধিনায়ক সবচেয়ে বড় ক্ষমতার জায়গায় থাকতেন। এখন সেই জায়গায় কোচ। গৌতম গম্ভীর বলেই হয়তো সেটা সম্ভব হচ্ছে।

শুভমান গিল বা অন্য কেউ – যেই ভারতের টেস্ট দলের দায়িত্ব পান না কেন  সব সিদ্ধান্ত এখন গৌতম গম্ভীর নিবেন। কে দলে থাকবে, কে বাদ পড়বে —সবই ঠিক করছেন তিনি। এমনকি সিনিয়র ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও তাঁর কথাই শেষ কথা।

শোনা যাচ্ছে, বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি চলাকালেই তিনি রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বলে দেওয়া হয়েছিলেন, তাঁকে আর ভাবা হচ্ছে না। দেশের মাটিতেও না। এরপর রোহিত শর্মা। তাঁকে বোর্ড এবং নির্বাচকরা বাদ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। রোহিত বুঝে গিয়েছিলেন, তাই নিজেই আগে সরে দাঁড়ান।

বিরাট কোহলির ক্ষেত্রেও নাকি কিছু একই রকম ঘটেছে। তবে তিনি আর কাউকে সুযোগই দেননি। নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছেন। ‘বিদায়’ নিয়েছেন নিজের ইচ্ছায়। জায়গা ধরে রাখলে দল থেকে বাদ পড়তে হবে, এমন বার্তা তিনিও পেয়েছিলেন গৌতম গম্ভীরের কাছ থেকে।

]নতুন কোচ গম্ভীর নাকি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বোর্ডকে—নতুন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি তরুণদের নিয়েই দল সাজাতে চান। তাই সিনিয়রদের জায়গা কমছে দলে। পরিবার নিয়ে সফরে যাওয়া নিয়ে বোর্ডের নতুন নিয়মও বিরাটদের বিরক্ত করেছে। সেই নিয়ম পরিবর্তনে ভূমিকা আছে গৌতমের।

মোদ্দা কথা — এখন ভারতীয় দলে সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ গৌতম গম্ভীর। এমনটা ভারতীয় ক্রিকেটে আগে কখনও হয়নি। আগে অধিনায়ক সবচেয়ে বড় ক্ষমতার জায়গায় থাকতেন। এখন সেই জায়গায় কোচ। গৌতম গম্ভীর বলেই হয়তো সেটা সম্ভব হচ্ছে।

গম্ভীর যেভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তাতে বোঝাই যাচ্ছে, এই দল একেবারে তাঁর নিজের মতো করে গড়া। যদি দল ভালো খেলে, তাহলে কৃতিত্ব গম্ভীরের। বাজে খেললেও যেন তিনি দায়টা নেন, সেটাই আপাতত চাওয়া ভারতের। সব মিলিয়ে গৌতম গম্ভীর নিজেও এখন আগুনের ওপরই হাঁটছেন। দলকে সাফল্য এনে দিতে না পারলে, সব আঙুল ঘুরে যাবে তাঁর দিকেই।

লেখক পরিচিতি

সম্পাদক

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link