সেই চিরচেনা ঝড় উপহার দিলেন হাবিবুর রহমান সোহান। পাওয়ার প্লেতে বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলায় মেতে উঠলেন। ২২৯ স্ট্রাইক রেটে সাজানো ইনিংস দুরন্ত একাদশের বোলারদের উপর চালানো তাণ্ডবেরই এক নির্মম বহিঃপ্রকাশ।
১৪৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা, জিতলেই ফাইনাল নিশ্চিত। এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে সোহানের ব্যাট জ্বলে উঠল স্বমহিমায়। শুরু থেকেই আগ্রাসন চোখেমুখে আর ব্যাটটাতে। নাহিদ রানা পর পর দুই বলে ছক্কা হাঁকিয়ে স্টেটমেন্ট দিলেন—নিজের দিনে কোনো বোলারকে তোয়াক্কা করে না সোহান।

মাহমুদুল হাসান জয়কে সাথে নিয়ে ওপেনিং জুটতেই নিয়ে আসেন ৬১ রান। যার সিংহভাগটাই সোহানের মালিকানাধীন। ১৭ বল খেলেই ব্যক্তিগত খাতায় লিখে ফেলেন ৩৯ রান। যার ৩৪ রানই এসেছে বাউন্ডারি থেকে। সেখানে আছে পাঁচ ছক্কা আর এক চার। বোলাররা শুধুই তাকিয়ে দেখেছে তাঁর ধ্বংসাত্মক এই ঝড়।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) বড় রকমের প্রত্যাশা নিয়ে পা রেখেছিলেন। তবে তাঁর সামান্য পরিমাণ প্রত্যাশাও মেটাতে পারেননি তিনি। বুকের মধ্যে একটা চাপা আক্ষেপ জমা ছিল বোধহয়।

অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপে তাই সুযোগ এলো নিজের সামর্থ্যের জানান দেওয়ার। প্রথম ম্যাচে আশা দেখালেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ঠিকই সক্ষমতার প্রমাণ দিলেন। যদিও ৩৯ রানের ইনিংস, তবে ওটাই যে গড়ে দিয়েছে ম্যাচ জয়ের ভিত। যার সুবাদে ফাইনালে পা রেখেছে তাঁর দল দুর্বার একাদশ।
Share via:











