তিন থেকে ছয়, নতুন জায়গা, ভিন্ন রোল তবে তিলক ভার্মার কি যায় আসে? ঠিকই নিজেকে মানিয়ে নিলেন, পজিশনের দাবি মেনেই ইনিংসটাকে সাজালেন। আর অন্য প্রান্তে হার্দিক পান্ডিয়া আরও একবার নিজের ক্লাচটা দেখালেন। তাতেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান উঠল ভারতের স্কোরবোর্ডে।
রিঙ্কু সিংয়ের পরিবর্তে সাঞ্জু স্যামসন ফিরেছেন দলে। রোলটা ওপেনার হিসেবেই। তাতেই যে নড়ে-চড়ে গেল সাজানো ব্যাটিং অর্ডার। সবাই পিছিয়ে গেলেন একধাপ। তবে অবিচারটা করা হলো তিলকের সঙ্গে। এক ধাক্কায় চলে গেলেন ছয় নম্বর পজিশনে।

জায়গা ভিন্ন, নতুন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে সামনে। তবে তিলক এসে বাউন্ডারি হাঁকালেন, যেন মুখের ওপর বলে দিলেন যে পারার সে সবখানেই পারে। রীতিমতো এক ঝড় উঠল চেন্নাইয়ের বুক চিরে, সে ঝড় একেবারে লন্ডভন্ড করে দিল জিম্বাবুয়েকে। যখন দলের ১৭২ রান, ফিরে যাচ্ছেন সুরিয়াকুমার যাদব, সেই পথেই তিলক এসেছিলেন সঙ্গে নিয়ে বিধ্বংসী এক রূপ।
১৬ বলে ৪৪ রান, স্ট্রাইক রেট ২৭৫, শেষ পাঁচ ওভারে ভারতের যা যা দরকার ছিল সেটা একেবারে মুনাফাসহ উঠিয়েছেন। আর অন্য প্রান্তে তো চিরায়িত হার্দিক শো ছিলই। ২৩ বলে তুলে নিয়েছেন ফিফটি, ব্যাটকে বেত বানিয়ে আঘাত করেছেন বলের ওপর। তিলক আর হার্দিক জুটি থেকে এসেছে ৩১ বলে ৮৪ রান। পুরোটা সময় জিম্বাবুয়ে তখন একটা প্রার্থনা করে গেছে, ২০ ওভার কবে শেষ হবে!

শেষমেষ শেষ হয়েছে। ভারত তুলেছে ২৫৬ রান, যা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। শ্রীলঙ্কার ২৬০-এর রেকর্ডটাও জিম্বাবুয়ের সঙ্গে হাফ ছেড়ে বেঁচেছে।










