উদযাপনের কাউন্টারে প্রতিপক্ষের উদযাপন নকল। আবরার আহমেদের জবাবটা ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা দিলেন। আবরার অনুকরণ করেছিলেন হাসারাঙ্গার সেলিব্রেশন। কাউন্টারে আবরারের সেলিব্রেশনকে নকল করলেন হাসারাঙ্গা। এই দুইজনের দ্বৈরথের মাঝে মোহাম্ম হারিসও সামিল হলেন। তিনি ডাগআউটে বসে হাসারাঙ্গার কপি করলেন। দারুণ এক লড়াই বটে!
এদিন প্রথম ইনিংসে হাসারাঙ্গাকে প্যাভিলিয়নে ফেরান আবরার। সেই উইকেট প্রাপ্তি তিনি উদযাপন করেন হাসারাঙ্গার মত করে। সেখান থেকেই আভাস মিলছিল। মাঠের লড়াই জমুক না জমুক- এই দুই বোলারের উদযাপনের লড়াইটা জমবে বেশ। শেষ অবধি হয়েছেও তাই।
বেশ স্বল্প রানে থেমেছে শ্রীলঙ্কার ইনিংস। মাত্র ১৩৪ রানের লক্ষ্য পেয়েছে পাকিস্তান। ফাখর জামান ও শাহিবজাদা ফারহানের ব্যাটে ভর করে এগিয়ে যাচ্ছিল পাকিস্তান। কিন্তু হুট করেই দৃশ্যপটে হাজির হাসারাঙ্গা।

ফখরের খেলা শটে দূর্দান্ত ডাইভিং ক্যাচ লুফে নেন লঙ্কান লেগ স্পিনার। এরপরই তিনি পাকিস্তানের ডাগআউট তাকিয়ে আবরারের মত করে মাথা ঝাকিয়ে বিদায়ের সেলিব্রেশন করেন।
নিজের উদযাপন নকলটা খুব একটা হালকাভাবে নিতে পারেননি হাসারাঙ্গা। তাইতো তিনি আবারও একই সেলিব্রেশনে উদযাপন করলেন নিজের প্রাপ্ত উইকেট। সাইম আইয়ুবকে বোল্ড করে একই উদযাপন শুরু করেন হাসারাঙ্গা। এদফা আর নিজের হাসি আটকে রাখতে পারেননি আবরার। স্মিত হাসিতে দ্বৈরথটা সাদরে আমন্ত্রণ জানালেন।
আবরারের পাশে বসে মোহাম্মদ হারিস আবার দুই হাত নাড়িয়ে হাসারাঙ্গার উদযাপন নকল করলেন। যেন দুই জনের মধ্যে চলা লড়াইয়ের আগুনে এক ছটাক ঘি ঢেলে দিতে চাইলেন হারিস। মাঠের লড়াই ছাপিয়ে উদাযাপনের এই লড়াইটা বেশ ভালই বিনোদনের খোরাক জুগিয়েছে। ব্যাট-বল ছাড়াও ক্রিকেটটা এভাবেই উপভোগ্য হয়ে ওঠে।












