ভারতের মাটি, ট্রাভিস হেডের ঘাটি। আর যখন তিনি সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে ব্যাট করতে নামেন, তখন আসলে তাঁদের লক্ষ্য ৩০০ রানই থাকে। স্রেফ জোফরা আর্চারের এক ওভার থেকেই নিলেন ২২ রান।
হেড থাকা মানেই প্রতিপক্ষের মাথা ব্যাথার কারণ, বোলারদের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার মাধ্যম। সেখানে বোলার কে, প্রতিপক্ষ কে – এসব অগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে হেড মাথা ঘামানোর পাত্র নন।
পাওয়ার প্লে-তেই আসে ৯৪ রান। অল্পের জন্য প্রথম ছয় ওভারে ১০০ রান তুলতে ব্যর্থ হয় হায়দ্রাবাদ। ৯৪ রানের মধ্যে ট্রাভিস হেডের একার অবদান ৪৬। খেলেছেন ১৮ বল।

অষ্টম ওভারের প্রথম বলেই হাফ সেঞ্চুরি তুলে ফেলেন। কখনওই স্ট্রাইক রেট ২০০’র নিচে নামতে দেননি। এমন না যে তিনি গায়ের জোরে খেলেন, প্রচণ্ড পাওয়ারফুল। আসলে তাঁর সাহসটাই সব কিছু। ওই সাহসের জোরেই বিস্ময়কর সব ইনিংস খেলে বেড়ান।
তাঁকে চাইলে ‘হেড’ মাস্টার বলতে পারেন। চাইলে থানোসও বলতে পারেন। বলা উচিৎ, তিনি আদতে একজন সুপারম্যান – যিনি ক্রিকেট মাঠে ব্যাট হাতে বিস্ময়কর সব ইনিংস খেলে বেড়ান, তা সে ফরম্যাট যাই হোক না কেন!
শেষ অবধি ৩১ বলে ৬৭ রান করে তবেই থামেন এই দানব। তিনটি ছক্ক আর নয়টি চারে সাজানো ইনিংস, স্ট্রাইক রেট ২১৬-এর বেশি! আরেকটি হেডমাস্টার সুলভ আইপিএল তবে শুরু হয়েই গেল!









