খুনে মেজাজে দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিং করে গেলেন শিমরন হেটমায়ার। নামের পাশে জাত টি-টোয়েন্টি ব্যাটারের তকমা। সেটারই বাস্তব প্রতিফলন ঘটালেন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। ঝড় তুললেন ঠিকই সাথে মুগ্ধতা ছড়িয়ে গেলেন মাঠজুড়ে।
২০১৬-তে অভিষেক। নিজেকে ঠিক জায়গায় খুঁজে পেতে সময় নিলেন গুণে গুনে দশ বছর। যে প্রতিভা নিয়ে আগমন ঘটেছিল ক্রিকেট ময়দানে ফ্র্যাঞ্চাইজি যুগের ব্যবসা সেটাকে ধামাচাপা দিয়ে দেয়। হেটমায়ারের চরিত্রটা সীমাবদ্ধ হয়ে যায় স্লগার হিসেবে। যিনি শেষদিকে নামবেন, ছক্কারের ঝড় তুলে বিদায় বলবেন।

নিজের স্বত্তাকে এভাবেই বিকিয়ে দিয়েছেন। তবে প্রতিভা তো মুছে ফেলা যায় না। আর যায় না বলে হেটমায়ারের ব্যাটিং দেখা চোখের জন্য আরামদায়কই। মারার বলটাকে যিনি গ্যালারিতে পাঠাতে যানেন, আবার তিন নম্বরে নেমে ইনিংস গড়তে পারেন আগ্রাসী ঢঙেই।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তিন নম্বর পজিশনেই নামলেন তিনি। প্রায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিজের মতো করে ইনিংস সাজিয়ে গেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ৩৬ বলে ৬৪ রানের অনবদ্য নক। দুই চার আর ছয় ছক্কায় সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭৭।

তিন নম্বরে নামিয়েই যেন খুঁজে পেয়েছেন নিজেকে। খুঁজে পেয়েছেন সেই মরিচা পড়া সত্যিকার প্রতিভার ঝলক। এই ম্যাচের আগে শেষ দুটোতে রান করেছিলেন যথাক্রমে ৭৫ এবং ৪৮। সর্বশেষ সংযোজন ৬৪। এটাই যে আক্ষেপ বাড়ায়, হেটমায়ারকে ঠিকঠাক ব্যবহার করা হয়নি এতদিন। সেই মরিচা পড়া প্রতিভার পূর্ণজাগরণ হতে সময় লেগেছিল দশ বছর।
Share via:











