হোল্ডার-শেফার্ডের ব্যাটে ফিনিক্স পাখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ধ্বংসস্তূপের বুক চিড়ে দাঁড়িয়ে গেলেন দুই ক্যারিবিয়ান যোদ্ধা। যখন সবাই শেষটা দেখে নিয়েছিল, ঠিক তখনই উন্নত শিরে লড়াই করা শুরু করলেন জেসন হোল্ডার ও রোমারিও শেফার্ড।

ধ্বংসস্তূপের বুক চিড়ে দাঁড়িয়ে গেলেন দুই ক্যারিবিয়ান যোদ্ধা। যখন সবাই শেষটা দেখে নিয়েছিল, ঠিক তখনই উন্নত শিরে লড়াই করা শুরু করলেন জেসন হোল্ডার ও রোমারিও শেফার্ড। যে প্রোটিয়া পেস ইউনিট ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং অর্ডারকে, সেই পেস ইউনিটের সামনে দাঁড়িয়ে স্বভাবজাত আক্রমণটা অব্যাহত রাখলেন দুইজনে মিলে- গড়লেন ৮৯ রানের জুটি।

৮৩ রানেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারায় সাতখানা উইকেট। সেখান থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা অপেক্ষায় ছিল দ্রুত ক্যারিবিয়ানদের গুটিয়ে দেওয়ার। কিন্তু তারা হয়ত ঘুনাক্ষরেও টের পায়নি তাদের জন্য কি ছিল অপেক্ষায়। জেসন হোল্ডার আর রোমারিও শেফার্ড ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন।

দুই জনের যুগলবন্দী শুরু হয় ইনিংসের একাদশ ওভারে। সেখান থেকে একেবারে শুরু করে পরবর্তী ৫৭ বলে তারা দুইজন ছিলেন অবিচল। দলকে একেবারে বিপর্যয়ের খাদ থেকে টেনে তুলেছেন দীর্ঘকায় এই দুই ব্যাটার। দলের সংগ্রহ ১২০ এর আশেপাশে থামার কথা, সেই সংগ্রহকে নিয়ে গিয়ে ঠেকিয়েছেন ১৭৬ রানে।

দুইজনই চাইলে পেতে পারতেন ফিফটি। হোল্ডার আউট হয়েছেন ৪৯ রানে। তবে শেফার্ড শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের ফিফটি পূরণ করেন। এমন লড়াকু দিনের শেষটায় হাফসেঞ্চুরির মাইলফলক অন্তত ক্যারিয়ারের পাতায় উজ্জ্বল আলোর বিকিরণ ঘটাবে। এমন যুগলবন্দীকে সহজেই মনে করতে সাহায্য করবে।

এমন কামব্যাকে নিশ্চিতরুপেই চিড় ধরেছে দক্ষিণ আফ্রিকার আত্মবিশ্বাসে। অন্যদিকে হৃদয়ে কাঁপন ধরেছে ভারতের। এমন দূর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ক্যারিবিয়ান পেসারদের উজ্জীবিত করবে নিঃসন্দেহে। দক্ষিণ আফ্রিকান পেসাররা যে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছিল- সেটার দ্বিগুণ তারা ফিরিয়ে দিতে পারলেই- সেমিফাইনালের পথটা পরিষ্কার হবে ক্যারিবিয়ানদের।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link