জশ হ্যাজলউডের বলে মিড অনে ফ্লিক করলেন। যাক, এইবার ‘ডাক’ নয় রাজা কোহলির জন্য। হালকা মুষ্টিবদ্ধ হাত নেড়ে উদযাপন, মুখে তৃপ্তির হাসি। উদ্বেলিত সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের দর্শকরা। ধারভাষ্যকার বললেন, ‘রীতিমত সেঞ্চুরি পাওয়ার সেলিব্রেশন করছেন দর্শকরা।’
সেই যে বিরাট কোহলির আগের আত্মবিশ্বাসটা ফিরে পেলেন, সেটা টিকে থাকল পুরো ইনিংসজুড়েই। প্লেসমেন্ট আর টাইমিংয়ের অনুপম এক নিদর্শন স্থাপন করলেন। যোগ্য সঙ্গ দিয়ে গেলেন রোহিত শর্মাকে। সিরিজ আগেই হাতছাড়া হয়ে গেছে। তবে, একবার রান তাড়া করার সুযোগ পেলে কোহলি যে সেটা হেলায় হারাবেন না, সেটা কে না জানে।

কোহলিও থাকলেন, একদম শেষ পর্যন্ত। ১৬৮ রানের এক রেকর্ড গড়া জুটি আসল। জয় সূচক রানটা কোহলিই করলেন। ডিপ থার্ড ম্যানে চার হাঁকিয়ে, জয়ের বন্দরে নিয়ে যাওয়াই তো বিরাট কোহলির কাজ। নিজের কাজটা তাঁর চেয়ে ভাল আর কেই বা জানেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ওয়ানডেতে এখন আড়াই হাজারের বেশি রানের মালিক কোহলি।
৭৪ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলেন। সাতটি চারে সাজানো ছবির মত সুন্দর এক ইনিংস। আগের দুই ম্যাচে ম্যাচে টানা দু’টি ডাক। সেখান থেকে ফেরাটা সহজ ছিল না। কিন্তু, ফিল্ডিংয়ের সময় দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়েই যেন নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে পান কোহলি। সেখান থেকে শুরু করে, আর ম্যাচ জুড়ে তাঁকে ভোগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। আর আত্মবিশ্বাসী বিরাট কোহলি কি করতে পারেন, সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড সেটাই দেখল এবার।











