সাকিবকে দেখেই ক্রিকেটে আসা’—অনুপ্রেরণার গল্প শোনালেন শান্ত

পডকাস্টে শান্ত আরও জানান, কঠিন সময়গুলোতে এখনও নিয়মিত সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ হয় তার। বিশেষ করে ক্রিকেটীয় বিষয় ও মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষেত্রে সাকিবের পরামর্শ তাকে সাহায্য করে।

বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বর্তমানে দেশের ক্রিকেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তবে নিজের ক্রিকেট যাত্রা, নেতৃত্বের দর্শন এবং অনুপ্রেরণার কথা বলতে গিয়ে এখনও সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিলেন সাকিব আল হাসানের নামকেই।

প্রথম আলোর পডকাস্টে শান্ত জানিয়েছেন, ছোটবেলায় সাকিবকে দেখেই ক্রিকেটের প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। বাংলাদেশের মতো একটি দেশ থেকে উঠে এসে একজন ক্রিকেটার কীভাবে বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার হতে পারেন, সেটাই তাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছে। তাই একজন পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেটার হিসেবে তার রোল মডেলও সাকিব।

শুধু খেলোয়াড় হিসেবে নয়, অধিনায়ক হিসেবেও সাকিবের প্রতি মুগ্ধতা রয়েছে শান্তর। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার ক্যাপ্টেন্সি আইডল মহেন্দ্র সিং ধোনি হলেও, বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বকেই অনুসরণ করার চেষ্টা করেন তিনি।

পডকাস্টে শান্ত আরও জানান, কঠিন সময়গুলোতে এখনও নিয়মিত সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ হয় তার। বিশেষ করে ক্রিকেটীয় বিষয় ও মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষেত্রে সাকিবের পরামর্শ তাকে সাহায্য করে। অন্যদিকে ব্যাটিং নিয়ে সবচেয়ে বেশি মানসিক সহায়তা পেয়েছেন তামিম ইকবালের কাছ থেকে। এমনকি সর্বশেষ বিপিএলেও নিজের কিছু সমস্যা নিয়ে তামিমের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন বলে জানান তিনি।

সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে একটি বিশেষ স্মৃতিও। তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের অধিনায়ক হওয়ার সময় শান্তর ইচ্ছা ছিল, নেতৃত্বের প্রতীক সেই ক্যাপটি যেন তিনি সাকিব আল হাসানের হাত থেকেই গ্রহণ করতে পারেন। কাকতালীয়ভাবে সেটিই ঘটেছিল। শান্তের মতে, ক্রিকেট মাঠে তার সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি হলো সাকিবের কাছ থেকে সেই ক্যাপ গ্রহণ করা।

বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলেও শান্তর কথায় স্পষ্ট, তার ক্রিকেট-দর্শন ও মানসিকতার পেছনে এখনও সবচেয়ে বড় প্রভাবক সাকিব আল হাসানই।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link