ওয়ানডে ব্যাটিংয়ে ভারতীয়দের দাপট

সম্প্রতি আইসিসি কর্তৃক প্রকাশিত একদিনের ফরম্যাটের ব্যাটিং তালিকায় ভারতীয় ব্যাটারদের সাফল্য চোখে পড়ার মতো। তবে তালিকার শীর্ষ অবস্থান এক কিউই ব্যাটারের।

ক্রিকেট বিশ্বে কার ব্যাটে কত ধার, তার আসল প্রমাণ মেলে আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে। সম্প্রতি আইসিসি কর্তৃক প্রকাশিত একদিনের ফরম্যাটের ব্যাটিং তালিকায় ভারতীয় ব্যাটারদের সাফল্য চোখে পড়ার মতো। তবে তালিকার শীর্ষে অবস্থান এক কিউই ব্যাটারের।

  • ড্যারিল মিশেল (৮৪০ পয়েন্টস)

বর্তমানে ওয়ানডে ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংয়ে রাজ করছেন নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিশেল। ৮৪০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি সবার উপরে। ৫৯টি ম্যাচে ৫৮.৪৭ গড়ে তার সংগ্রহ ২,৬৯০ রান। নামের পাশে রয়েছে নয়টি শতক হাঁকানোর কীর্তি।

  • বিরাট কোহলি (৭৯১ পয়েন্টস)

দীর্ঘ বিরতির পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে মাঠে নেমেছিলেন বিরাট কোহলি। ক্যারিয়ারের গোধুলিতে এসেও ব্যাট হাতে শাসন করে যাচ্ছেন ক্রিকেটের এই মহীরুহ। ৭৯১ পয়েন্ট নিয়ে তিনি রয়েছেন দ্বিতীয় অবস্থানে। ৩১১টি ওডিআই ম্যাচে ৫৪টি সেঞ্চুরি আর ৭৭টি হাফ-সেঞ্চুরি নিয়ে কোহলির রান এখন ১৪,৭৯৭।

  • ইব্রাহিম জাদরান (৭৫৬ পয়েন্টস)

তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন আফগানিস্তানের তরুণ তুর্কি ইব্রাহিম জাদরান। তার নামের পাশে রয়েছে ৭৫৬ রেটিং পয়েন্ট। মাত্র ৩৯টি ম্যাচেই ১,৮৬৯ রান করেছেন ইব্রাহিম। তার ব্যাটিং গড় ৫১.৯১ এবং সেঞ্চুরি রয়েছে ছয়টি।

  • রোহিত শর্মা (৭৪৮ পয়েন্ট)

ভারতের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ী সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মা তার সহজাত আগ্রাসী ব্যাটিং নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। ৭৪৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি এখনও বিশ্বের সেরা ব্যাটারদের অন্যতম। ২৮২টি ওডিআই ম্যাচে ১১,৫৭৭ রান করা এই ব্যাটারের গড় ৪৮.৮৪।

  • শুভমান গিল (৭১৬ পয়েন্ট)

তালিকায় নাম রয়েছে ভারতীয় আরেক টপ অর্ডার ব্যাটার শুভমান গিলেরও। ৭১৬ পয়েন্ট নিয়ে র‍্যাঙ্কিংয়ে পাঁচে নম্বরে নিজের জায়গা পাকা করেছেন তিনি। ৬১টি ওডিআই ম্যাচে ৫৫.৭১ গড় নিয়ে গিল সংগ্রহ করেছেন মোটে ২,৯৫৩ রান।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link