হার থেকে যদি ভালো কিছু হয়, তবে হারই ভালো!

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে নামিবিয়া আর উগান্ডার কাছে শোচনীয় পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল জিম্বাবুয়েকে। সবাই ধরেই নিয়েছিল দৌড়টা এতটুকুই। তবে কখনও কখনও পরাজয়ও যে নতুন দিগন্তের পথ বাতলে দিতে পারে, দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার টোটকা দিতে পারে। জিম্বাবুয়ের ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে। ছাই চাপা আগুন থেকে জন্ম নিয়েছে এক আগ্নেয়গিরির।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে নামিবিয়া আর উগান্ডার কাছে শোচনীয় পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল জিম্বাবুয়েকে। সবাই ধরেই নিয়েছিল দৌড়টা এতটুকুই। তবে কখনও কখনও পরাজয়ও যে নতুন দিগন্তের পথ বাতলে দিতে পারে, দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার টোটকা দিতে পারে। জিম্বাবুয়ের ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে। ছাই চাপা আগুন থেকে জন্ম নিয়েছে এক আগ্নেয়গিরি।

২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে তাই জিম্বাবুয়ে হাজির হয়েছিল এক বদলে যাওয়া রূপে। সেই উগান্ডার সাথে আরও এক সাক্ষাৎ হয়েছিল, নতুন শক্তি সঞ্চার করে এবার আর ভুল করেনি জিম্বাবুয়ে। বতসোয়ানা, তাঞ্জানিয়া পরবর্তী কেনিয়াকে পরাজিত করে বিশ্বকাপের মঞ্চে পা রেখেছিল সিকান্দার রাজার দলটা।

কে ভেবেছিল জিম্বাবুয়ে এতটা পরাক্রমশালী হয়ে উঠবে? গ্রুপ পর্বে আর পাঁচটা খর্বশক্তির দলের মতোই যে তাদের ভাবা হয়েছিল। তবে ভাবনার সীমানা শেষ হতেই যে বাস্তবতার পাঠচক্র শুরু হয়। যেখানে জিম্বাবুয়ের গল্প বলতে হলে আগে অপ্রতিরোধ্য শব্দটার প্রয়োগ করতে হয়।

শুরুটা হয়েছিল ওমানকে হারিয়ে। এই ধাপটা পার করা নিতান্তই সহজ এক ব্যাপার ছিল। আট উইকেটের সেই জয়টাকেও অনেকে গুরুত্ব দেয়নি হয়তো। তবে বড় কিছু করতে গেলে সূচনাটা যেমন হওয়া দরকার, জিম্বাবুয়ে ঠিক তেমনটাই করেছিল।

পরের বাধা অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপের শক্তিশালী দলগুলো একপাশে রাখলে উপরের সারিতেই দেখা মিলবে যে দলটার, তাদেরই কিনা একেবারে ধরাশায়ী করে ফেলল পুচকে জিম্বাবুয়ে? এ কি কোনো অবিশ্বাস্য গল্প নয়? ওটাই কাল হয়ে মাইটি অজিদের জন্য, শেষমেষ গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হলো মহাশক্তিধর এই দলটাকে।

আয়ারল্যান্ড ম্যাচে বৃষ্টিবাধা। বল গড়ায়নি মাঠে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। সেখানেই আরও একবার নিজেদের শক্তিমত্তা দেখাল জিম্বাবুয়ে। লঙ্কানদের ডেরায়, তাদেরই ছয় উইকেটে হারাল রাজারা। সেই সঙ্গে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সুপার এইটে পা রাখল জিম্বাবুয়ে।

এবারের বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ে খেলছে গোটা দল হয়ে। সবাই যেন লড়তে প্রস্তুত বুক চিতিয়ে। জয়ের ক্ষুধা নিবারণ তাদের মূল লক্ষ্য। ফলাফলটা তাই পাচ্ছে হাতেনাতে। এই যাত্রা কতদূর যায়, এটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link