টানা দুইবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতেনি কেউ। আয়োজক কোনো দেশই ঘরের মাঠে পায়নি শিরোপার স্বাদ। তিনবার বিশ্বজয়ের টাইটেল কোনো দলের পাশেই নেই। এই নেতিবাচক শব্দগুচ্ছকে এবার চিরতরে মুছে দিতে পারে ভারত। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হতে পারলেই তো সমস্ত রেকর্ড নিজেদের আলমারিতে নিতে পারবে তারা। সে সম্ভাবনাও যে প্রবল।
কমবেশি সব দলেরই শক্তি-দুর্বলতা থাকে। যেগুলো খালি চোখেই দেখা সম্ভব কিংবা দেখা যায়। তবে যদি দলটা হয় ভারত, আর ফরম্যাটটা টি-টোয়েন্টি, তবে আতশ কাচ দিয়েও বোধহয় খুঁত খুঁজে পাওয়া কষ্টসাধ্য হবে।

টি-টোয়েন্টির আধুনিক যুগকে রীতিমতো ঝড়ের যুগ নামকরণ করতে বাধ্য করে যাচ্ছে ভারত। টস জিতে কিংবা প্রতিপক্ষের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নামলেই এক বিস্ফোরণ ঘটে। অভিষেক শর্মা থেকে শুরু হওয়া আক্রমণের শেষ টানেন রিঙ্কু সিং কিংবা অক্ষর প্যাটেলের মতো নাম। মাঝের সময়টাতে সুরিয়াকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়ারা তো থাকলেনই।
ব্যাটিং পরাক্রমশালী, বোলিংটা নিয়েও কেউ প্রশ্ন তুলবে, সে সুযোগ দেয় না ভারত। জাসপ্রিত বুমরাহ, আর্শদ্বীপ সিং কিংবা বরুণ চক্রবর্তীরা যেন ব্যাটারদের কাছে এক মূর্তিমান আতঙ্ক।

একটা পরিসংখ্যান সহজ করে বুঝিয়ে দেবে ভারত কেন বিশ্বকাপের ফেবারিট। ২০২৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ২৬ ম্যাচ খেলে ভারতের জয়ের সংখ্যা ১৯টি, বিপরীতে হেরেছে মাত্র চারটি। বিশ্বকাপে এমন রেড হট ফর্মে থাকা ভারতকে ফেবারিট না বলে কি আর উপায় আছে?
Share via:











