কোহলি কি এবার রোহিতের পথেই?

তারুণ্যের আগ্রাসনে কি তবে ধুলো জমবে অভিজ্ঞতার সোনালি মুকুটে? কোহলি কি পারবেন তার ব্যাটের জাদুতে নির্বাচকদের মন জয় করে নিতে? তার আগামী কয়েক মাসের পারফরম্যান্সই, সেটি বলে দেবে।

ক্রিকেটের বাইশ গজে সময় কখনো কখনো নির্মম হয়ে ওঠে। আজ যিনি সাফল্যের শিখরে, কাল হয়তো তাকেই লড়তে হয় নিজের অস্তিত্ব টেকাতে। ভারতীয় ক্রিকেটে এখন এমনই এক গোধূলি বেলার সুর বাজছে। যেখানে বিরাট কোহলির মতো মহাতারকাকেও সতর্কবার্তা দিয়েছেন সাবেক বোলার রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

রোহিত শর্মার পরিণতিই কি এবার তাহলে ভোগ করতে হবে বিরাট কোহলিকে? অশ্বিনের কণ্ঠে যেন ঝরল সেই শঙ্কারই প্রতিধ্বনি। সাবেক সতীর্থের বিষয়ে তার ভাষ্য, নির্বাচকদের বর্তমান ছক বলছে কোহলির জায়গা এখন আর শতভাগ নিরাপদ নয়। আগামী কয়েক মাস ভালো ফর্মে না থাকলে দল থেকে ছিটকে যেতে পারেন কোহলিও। তবে কোহলি এখন যথেষ্ট ভালো ফর্মে আছেন।

এর আগে অজিত আগারকারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটি রোহিত শর্মাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের পরেই স্কোয়াডের বাইরে থাকতে হবে ‘হিটম্যান’ বলে খ্যাত এই ব্যাটারকে।

আসন্ন ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই মূলত বিসিসিআই এখন সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্তের কথা ভাবছে। এ লক্ষ্যে যশস্বী জয়সওয়ালের মতো তরুণদের এক বছর পরখ করে দেখতে চায় ভারত।

তাই কোহলির লড়াইটা এখন আর শুধু প্রতিপক্ষ বোলারদের সাথে নয়। বরং সময়ের নিষ্ঠুর বাস্তবতার সাথে। ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ব্যাটারকেও এখন প্রতি মুহূর্তে প্রমাণ করতে হবে নিজের অপরিহার্যতা। আর নাহলে স্কোয়াড থেকে খোয়াতে হবে স্থান।

তারুণ্যের আগ্রাসনে কি তবে ধুলো জমবে অভিজ্ঞতার সোনালি মুকুটে? কোহলি কি পারবেন তার ব্যাটের জাদুতে নির্বাচকদের মন জয় করে নিতে? তার আগামী কয়েক মাসের পারফরম্যান্সই, সেটি বলে দেবে।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link