কোনদিকে গড়াবে রিয়ালে ভিনিসিয়াসের ভবিষ্যৎ!

রিয়ালের সাদা পোশাকে ভিনিসিয়স জুনিয়রের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে! শিরোপাহীন এক হতাশাজনক মৌসুম শেষে বড় রদবদলের পথেই যাত্রা করছে রিয়াল মাদ্রিদ। এর আগে ক্লাবটির ব্যর্থতার মাশুল দিতে হয়েছে ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে। নতুন দায়িত্ব জাবি আলোনসোর হাতে, এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চায় সান্তিয়াগো বার্নাব্যু।

রিয়ালের সাদা পোশাকে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে! শিরোপাহীন এক হতাশাজনক মৌসুম শেষে বড় রদবদলের পথেই যাত্রা করছে রিয়াল মাদ্রিদ। এর আগে ক্লাবটির ব্যর্থতার মাশুল দিতে হয়েছে ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে। নতুন দায়িত্ব জাবি আলোনসোর হাতে, এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চায় সান্তিয়াগো বার্নাব্যু।

এই নতুন সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে খুব কাছেই – যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য নতুন ক্লাব বিশ্বকাপ। এই টুর্নামেন্ট দিয়েই শুরু হবে জাবি আলোনসোর রিয়াল অধ্যায়। যেখানে তাদের গ্রুপপর্বের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে আল হিলাল, পাচুকা ও সালজবুর্গ। প্রস্তুতি শুরু হবে ৯ জুন থেকে, যদিও অনেক খেলোয়াড়ই থাকবেন জাতীয় দলের দায়িত্বে। ১৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেবে দল।

এই টুর্নামেন্টে নজর থাকবে অনেকের দিকেই, তবে সব আলো যেন কেন্দ্রীভূত ভিনিসিয়স জুনিয়রের ওপর। ইনজুরি, বিতর্ক সব মিলিয়ে নিজের সেরা সময় থেকে দূরেই ছিলেন ভিনি। তবে এখনও ক্লাবের আক্রমণের মূল চালিকা শক্তি তিনিই।

সৌদি আরবের প্রলোভনস্বরূপ অফার পেয়েও রিয়ালেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান। আপাতত কোনো আলোচনায় যাচ্ছেন না, কারণ নতুন কোচের অধীনে নিজেকে প্রমাণ করাই এখন তার মূল লক্ষ্য।

রিয়ালের পক্ষ থেকেও ভিনির ওপর রয়েছে আস্থার ছাপ। ক্লাব চাইছে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করতে এবং ইতিহাস গড়া বেতনে তাকে বেঁধে রাখতে। গুঞ্জন রয়েছে, বছরে ৩০ মিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত বেতন পেতে পারেন তিনি – যা হবে রিয়াল ইতিহাসের সর্বোচ্চ।

তবে চুক্তি স্বাক্ষর হবে কেবলমাত্র পারফরম্যান্সের প্রমাণ মিললেই। জাবি আলোনসো ইতোমধ্যে তাকে দলের চারজন অধিনায়কের একজন হিসেবে মনোনীত করেছেন।

শুধু মাঠে দ্যুতি ছড়ানো নয়, ভিনির কাছে এবার প্রত্যাশা আরও বড় – দায়িত্ব নেওয়া, ড্রেসিং রুমে নেতৃত্ব দেওয়া এবং ক্লাবের নতুন যুগের অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠা। এমবাপ্পের সাথে বৈরিতা নয় বরং দুজনে মিলে হতে পারে ইউরোপের সবচেয়ে বিধ্বংসী আক্রমণভাগের অংশ।

আসন্ন ক্লাব বিশ্বকাপ শুধু রিয়ালের জন্য এক পরীক্ষা নয়, ভিনিসিয়াস জুনিয়রের জন্যও এক প্রমাণের মঞ্চ। চুক্তি, ভবিষ্যৎ, নেতৃত্ব – সব কিছু নির্ভর করছে তার পারফরম্যান্সের ওপর। বার্নাব্যু তাকে চায়, সাদা সমর্থকেরা আশাবাদী, এখন শুধু মাঠেই দিতে হবে উত্তর – ভিনিসিয়াস কি পারবেন সেই আস্থার যোগ্য প্রমাণ দিতে?

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link