খ্যাতিমান যশস্বীর যশ

চমৎকার এক ব্যাটিং প্রতিভা জয়সওয়াল। তবে কিছু আগেই নাহিদ রানার আউটসাইড ডেলিভারিতে পেসে হার মেনেছেন। তবে এখনও এই সিরিজে আছে আরও তিনটি ইনিংস। সামনে আছে অগাধ সম্ভাবনা। তা কতটা কাজে লাগাবেন তা সময়ই বলে দেবে।

যশস্বী জয়সওয়াল যতক্ষণ ব্যাট করলেন যশ ছড়িয়েই করলেন।  হাফ-সেঞ্চুরিও পেলেন। বড় ইনিংস তাঁর জন্য নতুন কিছু নয়। নাহিদ রানার পেসে ‘বিট’ হওয়ার আগে পুরোটা সময়েই ছিলেন দারুণ স্বাচ্ছন্দ্যে।

নি:সন্দেহে বছরের অন্যতম সেরা টেস্ট ব্যাটার ভারতীয় এই তরুণ। তা কেবল ভারতীয়ই না বরং আন্তর্জাতিক টেস্ট বিশ্বেও অন্যতম প্রভাবশালী বাঁ-হাতি ব্যাটার। কিন্তু, জয়সওয়াল আসলে কতটা ভাল, সেটা বুঝতে চোখ বুলাতে হবে পরিসখ্যানে।

এখন পর্যন্ত  ৬৭ এরও বেশি গড়ে তাঁর সংগ্রহ ১০৮৪ রান। ভারতের মাটিতে তাঁর গড় ৯৫.৫০। ক্যারিয়ার সেরা ২১৪ রানের ইনিংসটিও এসেছে দেশেরই মাটিতে। ভারতের বাইরেও তাঁর পরিসংখ্যান ফেলে দেবার মতো না। দেশের বাইরে তাঁর গড় ৪৫.১৪।

আছে একটি ১৭১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। বিশেষত তাঁর ইংল্যান্ড এর সাথে রেকর্ড সত্যিই অভাবনীয়। ৮৯.০০ গড়ে আছে ৭১২ টি রান। পাশাপাশি আরেকটা জিনিস এখানে চোখে পড়ার মতো। সেইটা হলো ইংল্যান্ড দলের সাথে তাঁর স্ট্রাইক রেট ৭৯.৯১ । যা আমাদের তাঁর মারকুটে ব্যাটিং দক্ষতারও জানান দেয়।

এর বাইরেও আন্তর্জাতিক টেস্টে তাঁর স্ট্রাইক রেট ৬৮ এরও বেশি। ১৭ ইনিংসের আটটিতেই পেয়েছেন অর্ধ-শতক। তবে তাঁর মাঝে কেবল তিনটি-কে শতকে নিতে পেরেছেন। আছে দুটি দ্বি-শতকের ইনিংসও। জয়সওয়ালের ক্যারিয়ারের আরেকটি লক্ষণীয় দিক হচ্ছে তাঁর গড়ের ক্রমশ  উন্নতি। গত বছর তিনি ৫৭.৬০ গড়ে করেন ২৮৮ রান। তবে এই বছর তিনি ৭২.৩৬ গড়ে করেছেন ৭৯৬ রান।

চমৎকার এক ব্যাটিং প্রতিভা জয়সওয়াল। তবে কিছু আগেই নাহিদ রানার আউটসাইড ডেলিভারিতে পেসে হার মেনেছেন। তবে এখনও এই সিরিজে আছে আরও তিনটি ইনিংস। সামনে আছে অগাধ সম্ভাবনা। তা কতটা কাজে লাগাবেন তা সময়ই বলে দেবে।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link