জয়সওয়ালের হেডিংলি জয়

পয়েন্ট অঞ্চলে বল ঠেলে দিয়েই দুহাত তুলে দৌড় শুরু করলেন, মাথার হেলমেট খুলে লাফিয়ে উঠে জানান দিলেন তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরের কেউ। যশস্বী জয়সওয়ালের বয়সটা ২৩ এর গণ্ডি না পেরোলেও ভারতের ব্যাটিংয়ের ব্যাটনটা যে তাঁর হাতেই ধরা।

পয়েন্ট অঞ্চলে বল ঠেলে দিয়েই দুহাত তুলে দৌড় শুরু করলেন, মাথার হেলমেট খুলে লাফিয়ে উঠে জানান দিলেন তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরের কেউ। যশস্বী জয়সওয়ালের বয়সটা ২৩ এর গণ্ডি না পেরোলেও ভারতের ব্যাটিংয়ের ব্যাটনটা যে তাঁর হাতেই ধরা।

হেডিংলিতে নিজের ২০তম টেস্ট খেলতে নেমে শতকের দেখা। ইংল্যান্ডের মাঠে প্রথমবার। ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন পাঁচ সেঞ্চুরি। ৫৫-এর উপরে গড় জানান দিচ্ছে ভারতের ওপেনিংয়ে অঘোষিত রাজা এখন জয়সওয়াল।

টস হেরে শুরুতেই ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পায় ভারত। ওপেনিংয়ে নতুন সঙ্গী রাহুল। ইংলিশ পেসারদের সুইংয়ের বিপরীতে আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করতে থাকেন জয়সওয়াল। মাঠের চারপাশে যেভাবে শট খেলতে থাকেন, যেন উইকেটটা তাঁর খুব চেনা।

কেএল রাহুলকে সাথে নিয়ে গড়েন ৯১ রানের জুটি। ভারতের আকাশে যেন এক দুশ্চিন্তার মেঘ সরে যায়। ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল রোহিত শর্মার অবর্তমানে কী কম্বিনেশন হবে ওপেনিংয়ে, কেমন করবে তারা।

সব দায়িত্ব যেন নিজের কাঁধে তুলে নেন জয়সওয়াল। ৯১ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৪২ রান করে সাজঘরে তখন কেএল রাহুল। অভিষেক হওয়া সাই সুদর্শনও ফেরেন শূন্য রানে। এক রানের ব্যবধানে দুই উইকেট হারিয়ে তখন চাপে ভারত।

তবুও এক প্রান্তে অবিচল থাকেন জয়সওয়াল, খেলেন নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে। যেন কোনো চাপ তাকে ছুঁতে পারে না। অধিনায়ককে সাথে নিয়ে আবারও ভারতের ইনিংস গড়া শুরু করেন।

ফরম্যাটটা যাই হোক না কেন জয়সওয়াল যেন ফিনিক্স পাখির মতোই উড়ছেন। নিজের স্বভাবসুলভ ব্যাটিং, দৃঢ় মনোবল আর যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করছে ভারতের পরবর্তী বড় নামটা তাঁরই।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link