জেমি স্মিথের ব্যাটে বাজবল শো!

এজবাস্টনে জেমি স্মিথ ঝড় বইয়ে দিলেন, মাত্র ৮০ বলে তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়তম শতক। চোখের সামনে যেন একটা বাজবল শো দেখলো ভারতীয় বোলাররা।

এজবাস্টনে জেমি স্মিথ ঝড় বইয়ে দিলেন, মাত্র ৮০ বলে তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়তম শতক। চোখের সামনে যেন একটা বাজবল শো দেখলো ভারতীয় বোলাররা।

যখন স্মিথ ব্যাটিংয়ে এলেন দলের রান তখন পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৮৪। ভারতের রানের পাহাড়ের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে ইংলিশ ব্যাটিং লাইনআপ। একে একে ফিরে গেছেন সবাই। ইংল্যান্ডের অবস্থা তখন সব হারিয়ে কোণঠাসা!

এখানেই জেমি স্মিথ বদলে দিলেন ম্যাচের দৃশ্যপট। ভয়ংকর হয়ে ওঠা ভারতীয় বোলারদের বিপক্ষে শুরু হলো তাঁর কাউন্টার অ্যাটাক মিশন।

৩২তম ওভারে তখন বল হাতে এলেন প্রসিধ কৃষ্ণ। স্মিথ যেন নিজের ভয়ংকর রূপটা দেখালেন। ওই ওভারটাতে পর পর হাঁকালেন ৪, ৬, ৪, ৪, ৪। এক ওভারেই সবমিলিয়ে এলো ২৩ রান। কোনও কিছুর পরোয়া করলেন না তিনি, একেবারে ভয়-ডরহীন ক্রিকেটটা খেললেন শুধু।

৯৩ রানে যখন ব্যাট করছেন সেখানেও দুই বলে দুই বাউন্ডারি হাঁকালেন। অবলীলায় তুলে নিলেন নিজের দ্বিতীয়তম শতকটি। বিপর্যয়ের সামনে দাঁড়িয়ে যেন ব্যাট হাতে আগুনঝরা ইনিংস খেললেন।

বয়সটা ২৪, তবে ইতিমধ্যেই স্মিথ যেন ইংল্যান্ডের ভরসার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর ব্যাটিংটা আধুনিক ক্রিকেটের একটা কমপ্লিট প্যাকেজ। দলের চাপ সামলানো, ইনিংস বিল্ডআপ কিংবা ফিনিশ করে আসার ক্ষমতা—সবকিছুতেই পারদর্শী এই উইকেটকিপার ব্যাটার।

এটা কেবল স্মিথের প্রতিভা নয়, একটা দাপটের সূচনা। সময় যখন ব্রুক, গিল, স্টাবস কিংবা জয়সওয়ালের কথা বলছে, তাঁর আড়ালে আরও একটি নাম জানান দিচ্ছে—আমার জন্যও একটা জায়গা রেখো।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link