আর্জেন্টিনাকে সেরা মেনে ক্ষমা চাইলেন জাপান কোচ মোরিয়াসু

নকআউটে সামনে ব্রাজিল। কিন্তু ম্যাচের আগেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন জাপানের কোচ হাজিমে মোরিয়াসু। কারণ, সংবাদ সম্মেলনে তিনি বর্তমান বিশ্বের সেরা দল হিসেবে বেছে নিয়েছেন আর্জেন্টিনাকে। এরপরই অবশ্য ব্রাজিলের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।

নকআউটে সামনে ব্রাজিল। কিন্তু ম্যাচের আগেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন জাপানের কোচ হাজিমে মোরিয়াসু। কারণ, সংবাদ সম্মেলনে তিনি বর্তমান বিশ্বের সেরা দল হিসেবে বেছে নিয়েছেন আর্জেন্টিনাকে। এরপরই অবশ্য ব্রাজিলের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।

সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে এক সাংবাদিক জানতে চান, বর্তমান সময়ে বিশ্বের সেরা দল কোনটি। প্রশ্নের উত্তরে মোরিয়াসু হেসে বলেন, “আমি চোখ বন্ধ করে আশা করছি, এখানে অন্য কোনো দেশের সাংবাদিক নেই। তবে আমি বলব, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা দারুণ খেলছে। আর এই কথা বলার জন্য ব্রাজিলের কাছে ক্ষমা চাইছি।”

এই মন্তব্য মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ফুটবল দুনিয়ায়। তবে মোরিয়াসু পরে পরিষ্কার করে দেন, এটি ব্রাজিলকে খাটো করার জন্য বলা হয়নি। তার মতে, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্জেন্টিনা অসাধারণ ফুটবল খেলছে বলেই তিনি তাদের প্রশংসা করেছেন।

একই সঙ্গে ব্রাজিলকেও বিশ্বের অন্যতম সেরা দল বলে উল্লেখ করেন জাপান কোচ। তিনি বলেন, ব্রাজিলকে তারা সর্বোচ্চ সম্মান করে, তবে ভয় পায় না। জাপান শুধু ভালো খেলতেই নয়, জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে।

সব মিলিয়ে, ব্রাজিলের বিপক্ষে নকআউট ম্যাচের আগেই মোরিয়াসুর একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এনেছে ফুটবলের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী—ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। এখন দেখার বিষয়, কথার এই আলোচনার পর মাঠের লড়াইয়ে জাপান কতটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link