চিরকালীন সাধুবাদ

ক্লাস, আভিজাত্য, সাধুত্ব – এ সব কিছুই চিরস্থায়ী। যেমন চিরস্থায়ী কেন উইলিয়ামসন। তিনি তো সাধু। তিনি কখনও খেলবেন, কখনও আড়ালেই থাকবেন, কিন্তু যখন ফিরবেন ব্যাটিংয়ের ওই শুদ্ধতা ঠিকই থাকবে। সেটা লাহোরেও থাকল।

ক্লাস, আভিজাত্য, সাধুত্ব – এ সব কিছুই চিরস্থায়ী। যেমন চিরস্থায়ী কেন উইলিয়ামসন। তিনি তো সাধু। তিনি কখনও খেলবেন, কখনও আড়ালেই থাকবেন, কিন্তু যখন ফিরবেন ব্যাটিংয়ের ওই শুদ্ধতা ঠিকই থাকবে। সেটা লাহোরেও থাকল।

২০২৩ সালের সেই বিশ্বকাপের পর তিনি আর ওয়ানডে খেলেননি। টেস্ট খেলেছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন, ফ্র্যাঞাইজি লিগও খেলেছেন। কিন্তু, ৫০ ওভারের ক্রিকেটটা যে তিনি ভুলে যাননি সেটার প্রমাণ হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

কি অনায়াসে সেঞ্চুরি করলেন। কে বলবে, সাধুর মত দেখতে এই লোকটা সেঞ্চুরি পেয়েছেন ছয় বছর আগে। সেঞ্চুরি ক্ষরা কাটিয়ে ফেললেন, ওয়ানডেতে প্রত্যাবর্তনের ঠিক পরের ম্যাচেই। ৭২ বলে পৌঁছে যান তিন অংকের ম্যাজিকাল ফিগারে।

প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেও একটা হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। নিউজিল্যান্ড জিতে গিয়েছিল। কিন্তু, তাতে মন ভরেনি। মন ভরিয়ে দিতে উইলিয়ামসন অবশ্য খুব বেশিদিন সময় নিলেন না।

সেঞ্চুরি করেই অবশ্য থেমে যাননি কেন উইলিয়ামসন। যাত্রাটা নিউজিল্যান্ডের জন্য খুব কঠিন না হলেও পর পর দুই বলে সেনুরান মুত্থুস্বামীর জোড়া আঘাত নিউজিল্যান্ডের জন্য লড়াইটা একটু দীর্ঘায়িত করে। আর সেই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্তই ছিলেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন।

ওয়ানডেতে সাত হাজার রানের মাইলফলক ছুঁতে ১৩২ রান দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাউন্ডারি হাকিয়ে ১৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন, ব্যস অনন্য এক মাইলফলক নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন উইলিয়ামসন। টানা দুই ম্যাচ জিতে নিউজিল্যান্ডও চলে যায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে।

Share via
Copy link