কুলদীপ নাকি চাহাল, টি-টোয়েন্টির মঞ্চে কে সেরা?

ভারতের টি-টোয়েন্টি জার্সিতে যুজবেন্দ্র চাহাল এবং কুলদীপ যাদব— একজন অতীত, আরেকজন বর্তমান। তবে প্রথম ৪১ ম্যাচের তুলনায় দুজনের মধ্যে কে সেরা তা নিয়েই থাকছে আজকের আলোচনা।

ভারতের টি-টোয়েন্টি জার্সিতে যুজবেন্দ্র চাহাল এবং কুলদীপ যাদব— একজন অতীত, আরেকজন বর্তমান। তবে প্রথম ৪১ ম্যাচের তুলনায় দুজনের মধ্যে কে সেরা তা নিয়েই থাকছে আজকের আলোচনা।

সম্প্রতি আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৪১ তম ম্যাচ খেলে ফেলেছেন কুলদীপ। যেখানে ২.১ ওভার হাত ঘুরিয়ে সাত রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন চার উইকেট। সেই সাথে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এখন ৭৩ উইকেটের মালিক তিনি। বোলিং গড় ১৩.৩৯।

অন্যদিকে প্রথম ৪১ ম্যাচে চাহালের উইকেট সংখ্যা ছিল মাত্র ৫৫, বোলিং গড় ২৩.৮৩। স্পষ্টভাবেই দেখা যায় কুলদীপ তুলনায় অনেক বেশি উইকেট নিয়েছেন, সেটাও আবার কম রান খরচায়।

ইকোনমি রেটেও কুলদীপ চাহালের চেয়ে এগিয়ে। ৪১ ম্যাচে তাঁর ইকোনমি ৬.৭২, যেখানে চাহালের ৮.২১। বিশেষভাবে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষে কুলদীপ যথাক্রমে ৬.৩৩ ও ৬.৪১ ইকোনমি রেট দেখিয়েছেন। অন্যদিকে চাহালের ইকোনমি কিছুটা বেশি থাকায় রান রুখার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে।

ম্যাচ জেতানোর দিক থেকেও দেখা যায় কুলদীপ সেরা। ২৭টি জয়ী ম্যাচে তিনি উইকেট নিয়েছেন ৬১টি, গড় ১০.৩২ এবং ইকোনমি ৬.৪৬। অন্যদিকে সমান সংখ্যক ম্যাচে চাহালের উইকেট সংখ্যা ৪৩, গড় ১৮.৭৯ এবং ইকোনমি ৭.৬৯।

এই পরিসংখ্যানে পরিষ্কারভাবেই বোঝা যাচ্ছে কুলদীপ সবদিক থেকেই চাহালের তুলনায় এগিয়ে। বর্তমান সময়েও ফর্মের তুঙ্গে রয়েছেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা, প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করা এবং জয়ী ম্যাচে প্রভাবশালী পারফরম্যান্স তাঁকে চাহালের চেয়ে এগিয়ে রাখে অনেক বেশি।

এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচেই কুলদীপ নিজের ঝলক দেখিয়েছেন। ভারতের বোলিং আক্রমণের অন্যতম অস্ত্র এখন তিনি। এই ধারাবাহিকতা আসর জুড়ে ধরে রাখতে পারলে ভারতকে আটকানো প্রতিপক্ষের জন্য কঠিনই হবে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link