একদিন আগেই খেলা ৭১ জানিয়েছিল ওপেনিংয়ের ভাবনাতে নেই লিটন কুমার দাস। ঠিক তার পরদিন, সেই বক্তব্যের সত্যতা জানিয়ে দিলেন খোদ মেহেদী হাসান মিরাজ। মিডল অর্ডারেই স্থান পেতে চলেছেন লিটন। সোজাসাপ্টা জানিয়ে দিলেন নয়া ওয়ানডে অধিনায়ক।
ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবারের মত গণমাধ্যমে হাজির মিরাজ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগের দিন সংস্কৃতি মেনে অধিনায়ক হাজির। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের বিদায়ে এখন ওয়ানডে দলের ব্যাটিং অর্ডারে কে কোথায় খেলবেন?
মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের পোক্ত স্তম্ভ। তারা দুইজনই ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ দলের মিডল অর্ডারে তৈরি হয়েছে শূন্যস্থান। সেই শূন্যস্থান পূরণের জন্যে মিরাজের পছন্দ লিটন দাস। তবে জায়গা তো খালি দু’টো- আরেক জায়গায় নিজেকেই রাখছেন মিরাজ।

সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, ‘দুইটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা খালি হয়ে গিয়েছে, তারা অবসর নিয়ে ফেলেছে। মুশফিকুর রহিম ভাই ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ভাই। তারা দলের জন্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাদের জায়গা দু’টো খুবই মূল্যবান জায়গা বলে আমার মনে হয়।’
ঠিক সে কারণেই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সেই জায়গায় দেখতে চান বাংলাদেশের নয়া কাপ্তান। তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব যারা অভিজ্ঞ ক্রিকেটার তারা যেন সেই জায়গা নিতে পারে।’ সেই জন্যেই মিরাজের পছন্দ নিজেকে ও লিটন দাসকে।
তিনি বলেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে আমার মনে হয় যে ওই দুইটা জায়গার একটা জায়গায় আমি ব্যাটিং করতে পারি। আরেকটা জায়গায় লিটনকে খেলাতে পারি।’ অতএব লিটন যে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডেতে মিডল অর্ডারে খেলতে চলেছেন সেটা নিশ্চিত।

এখন অবশ্য আবার প্রশ্ন উঠতে পারে লিটনের ব্যাটিং অর্ডার তাহলে কি হবে? লিটনের ফ্রি ফ্লোয়িং ব্যাটিংয়ের কারণে তাকে ছয় নম্বরে খেলানোর সম্ভাবনাই প্রবল। ফিল্ডিংয়ের ফাঁকফোকর খুঁজে ব্যাট চালাতে জানেন লিটন দাস। আবার প্রয়োজনের মুহূর্তে চালিয়ে খেলার সক্ষমতাও রয়েছে। টেস্টেও ওই একই পজিশনে খেলেন লিটন।
তাতে করে পাঁচ নম্বরে মিরাজ ব্যাটিং করতে নামবেন তা মোটামুটি ধরে নেওয়া যায়। যদিও মিরাজও শুনিয়েছেন ‘দল আগে’ বাণী। তেমনটা যদি সত্যি হয়, তাহলে মিরাজকে ত্যাগ করতে হতে পারে অনেককিছু। আত্মত্যাগে প্রস্তুত তো মিরাজ? উত্তর সময়ের কাছে তোলা থাক।











