‘পজিশন’ নিয়ে টানাপোড়েনে লোকেশ রাহুল

দলের প্রয়োজনে লোকেশ রাহুল সদাই প্রস্তুত থাকেন। তবে, প্রশ্ন হল ওপেনিংয়ে পারফরম করা একজনকে কি মিডল অর্ডারে পাঠানোর ঝুঁকি নেবে ভারত? 

লোকেশ রাহুল, ইন্ডিয়ান এই ব্যাটসম্যানের জাতীয় দলের মূল একাদশে জায়গা নিয়ে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। রোহিত শর্মার দলে ফেরার কারণে রাহুলের দলে জায়গা হবে কিনা তা বোঝা যাচ্ছে না।

লোকেশ রাহুল তার ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন পজিশনে ব্যাটিং করেছেন। এটি সাধারণত ব্যাটসম্যানদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। তবে রাহুল এতে খুব ভালোভাবেই মানিয়ে নিয়েছেন। এখন যেকোনো পজিশনেই খেলতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন বলেই জানিয়েছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বোর্ডার গাভাস্কার ট্রাফির দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামবে ভারত। এর আগে এই উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান মিডিয়ায় এই চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বলেন, ‘আমি বিভিন্ন পজিশনে ব্যাটিং করেছি। প্রথম দিকে মানসিক ভাবে মানিয়ে নিতে আমার কিছুটা সময় লেগেছে।’

‘ম্যানেজ’ করার কৌশল জানা আছে লোকেশ রাহুলের। তিনি বলেন, ‘কত দ্রুত আমাকে অ্যাটাক করতে হবে? কতটুকু সতর্ক থাকতে হবে? এই সকল প্রশ্ন নিয়ে প্রথম দিকে অনেকটাই দ্বিধায় থাকতাম। কিন্তু এখন আমি টেস্ট এবং ওয়ানডে তে মোটামুটি সকল পজিশনেই খেলেছি। এর মাধ্যমে আমি ধারণা পেয়েছি কিভাবে আমার ইনিংস ম্যানেজ করতে হবে।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রায় এক দশক আগে মিডল অর্ডার হিসেবে অভিষেক হয় লোকেশের। ওপেনার হিসেবে খেলতে নেমে চলতি সিরিজের প্রথম টেস্টে তিনি দুই ইনিংসে যথাক্রমে  ২৬ এবং ৭৭ রান করেন। রোহিত শর্মা দলে না থাকার কারণে তিনি যশস্বী জয়সওয়ালের সাথে ওপেনিং করেন। তবে দ্বিতীয় টেস্টে রোহিতের দলে ফেরার কারণে রাহুলের পজিশন আবারও পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই ৩২ বছর বয়সী ব্যাটারকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তার পছন্দের পজিশন কোনটি তখন তিনি জবাবে বলেন, ‘সব পজিশনেই আমি স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে পারি। আমি শুধু চাই দলের হয়ে খেলতে, নিজের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে দলকে সাহায্য করতে। যেখানেই খেলি, আমি যদি প্রথম ৩০-৪০ বল খেলতে পারি তাহলে ইনিংসটা সহজ হয়ে যায় আমার জন্য।’

দলের প্রয়োজনে লোকেশ রাহুল সদাই প্রস্তুত থাকেন। তবে, প্রশ্ন হল ওপেনিংয়ে পারফরম করা একজনকে কি মিডল অর্ডারে পাঠানোর ঝুঁকি নেবে ভারত?

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link