দলের বিপদে শেখ মেহেদি এগিয়ে এলেন সবার আগে। আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিং ঝড় থামিয়ে দিলেন এক নিমিষেই। তিন উইকেট তুলে নিয়ে কোনঠাসা বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে রাখলেন ম্যাচে।
প্রথম ম্যাচে সুযোগ মেলেনি একাদশে। ইদানিং কম্বিনেশনের মারপ্যাঁচে প্রায়শই তাঁকে থাকতে হয় সাইড বেঞ্চে। ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে সুযোগটা পেলেন বটে, তবে প্রথম ওভারেই হজম করলেন ১৩ রান। এরপর পাওয়ার প্লেতে তাঁর হাতে আর বল তুলে দেননি ক্যাপ্টেন লিটন দাস।
সপ্তম ওভারে আবারও বল হাতে এলেন। দলের তখন বেহাল দশা। ৭৫ রান আইরিশদের স্কোরবোর্ডে, উইকেট হারিয়েছে মোটে একটি। তবে শিকারির বেশে এসে এ যাত্রায় মেহেদিকে ফিরতে হলো খালি হাতে। সবটা জমিয়ে রাখলেন নিজের তৃতীয় ওভারের জন্য।

স্কোরবোর্ডে তাকালে মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ ম্যাচটা তখনই হারিয়ে ফেলেছে। তবে মেহেদি শেষ আশাতে প্রাণের সঞ্চার এনে দিলেন। নবম ওভারের প্রথম বলেই তুলে নিলেন ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা টিম টেক্টরকে। ওখানেই শেষ করলেন না। আরও শিকার পুরে নিলেন নিজের ঝুলিতে। ওই ওভারে মাত্র এক রান খরচায় তুললেন দুই উইকেট। এক লহমায় ম্যাচে ফেরালেন বাংলাদেশকে।
১১তম ওভারে তাঁকে আবারও বল হাতে তুলে দিলেন অধিনায়ক। এবারও আস্থার প্রতিদান দিলেন, ছয় রান খরচায় আরও এক উইকেট বাগিয়ে নিলেন। শেষমেষ চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৫ রানের বিনিময়ে মেহেদি শিকার করলেন তিনখানা উইকেট।
মেহেদি তো এমনই, দলের বিপদে যার উপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। যখন ব্রেকথ্রু দরকার, তাঁর হাতে বলটা তুলে দিলেই হয়। তিনিও সুযোগ পেলে আস্থার প্রতিদানটা গুণে-গুণে মিটিয়ে দেন।












