নতুন বল আর মোহাম্মদ শামি, এই কম্বিনেশন যেকোন ব্যাটাররের জন্য দুঃস্বপ্ন। যা দেখার খেসারত দিতে হলো সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদকে। পাওয়ার প্লেতে যে দলটা লাগাম ছাড়া তারাই আজ কূলকিনারা পেল না, শামির ছোড়া একেকটা বারুদের জবাব দিতে না পেরে অসহায় আত্মসমর্পন করল হায়দ্রাবাদের টপ অর্ডার।
চোখে মুখে বয়সের ছাপ স্পষ্ট, অনেকে বলে ধার কমেছে। তবে এটাও মাথায় রাখতে হবে নামটা মোহাম্মদ শামি। যার সাথে নতুন বলের সখ্যতাটা আত্মিক।
হায়দ্রাবাদ মানেই ঝড়ের নাম। অভিষেক শর্মা, ট্রাভিস হেড টি-টোয়েন্টি জামানার দুই মহাতারকাকে বেধে রাখার কষ্টসাধ্যই। তবে অভিজ্ঞতার তো একটা দাম আছে। শামির হাতে তাই বন্দি হয়েছেন দুজনে।

প্রথম ওভারেই বোকা বনে যান অভিষেক, শূন্যতেই ধরা দেন শামির হাতে। একই পথের পথিক হন হেডও। শূন্যতে না ফিরলেও সাত রানটা কোন কাজেই আসেনি। দলের দুই স্তম্ভ খসে পড়ায় কোনঠাসা হয়ে পড়ে হায়দ্রাবাদ। সর্বশেষ ম্যাচে যে দলটা পাওয়ার প্লেতে ৮৪ রান করেছিল, সেই দলটায় লখনৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে মুখ থুবড়ে পড়ল, পাওয়ার প্লেতে তুলল মাত্র ২২ রান।
শামির ম্যাজিক তখনও শেষ হয়নি। টানা বল করতে থাকেন, যার সামনে ভীতগ্রস্ত হয়ে পড়ে হায়দ্রাবাদের বাকী ব্যাটাররা। একেকটা বলের বিপরীতে নাভিশ্বাস উঠেছে ব্যাটারদের।
চার ওভারের এক ভয় ধরানো স্পেল শেষে শামি হজম করেছেন মোটে নয় রান। তাঁর সাথে দম্ভচূর্ণ করেছেন হেড আর অভিষেকের। শুধু কি তাই, এই যে ২৪ বল হাত থেকে বেরিয়েছে বিপরীতে কোন ব্যাটারই পারেননি একটা বাউন্ডারি হাঁকাতে। অবিশ্বাস্য ঠেকছে না পরিসংখ্যান। তবে অবাক হওয়ার কিছুই নেই, ওই যে নতুন বল আর শামির অটুট বন্ধুত্বের কথা বললাম, এটা যে তারই এক ঝলকমাত্র।












