বিসিএলে ব্যাট হাতে নাইম-হৃদয়দের দাপট

পাকিস্তান সিরিজের দামামা বাজার ঠিক আগমুহূর্তে, ওয়ানডে ফরম্যাটে আয়োজিত বিসিএলের এই আসরটি হয়ে উঠেছিল ব্যাটারদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের এক উন্মুক্ত রণক্ষেত্র। টুর্নামেন্ট জুড়ে মিরপুরের তপ্ত রোদে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সব পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন নাইম শেখ-তানজিদ হাসান তামিমরা।

পাকিস্তান সিরিজের দামামা বাজার ঠিক আগমুহূর্তে, ওয়ানডে ফরম্যাটে আয়োজিত বিসিএলের এই আসরটি হয়ে উঠেছিল ব্যাটারদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের এক উন্মুক্ত রণক্ষেত্র। টুর্নামেন্ট জুড়ে মিরপুর-রাজশাহী বা বগুড়ার তপ্ত রোদে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সব পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন নাইম শেখ-তানজিদ হাসান তামিমরা।

ঘরোয়া ক্রিকেট মানেই যেন নাইম শেখের রাজত্ব। আর ফরম্যাটটা যদি হয় ওয়ানডে, তাহলে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে তো নাইমের জুড়ি মেলা ভার। তেমনটার ব্যত্যয় ঘটেনি এবারের বিসিএলেও। সেন্ট্রাল জোনের হয়ে চার ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তিনটাইতেই অর্ধশতক হাঁকিয়েছেন নাইম। প্রতি ম্যাচে ৬০ গড়ে সর্বোচ্চ ২৪০ রান করেছেন নাইম।

তালিকার দ্বিতীয় নামটি তাওহীদ হৃদয়ের। নর্থ জোনের এই মিডল অর্ডার ব্যাটার নিজের জাত চিনিয়েছেন শৈল্পিক ব্যাটিংয়ে। একটি নান্দনিক সেঞ্চুরি ও একটি ফিফটিসহ ৫৮.২৫ গড়ে তার সংগ্রহ ২৩৩ রান। অন্যদিকে, বাঁহাতি ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম আসরজুড়ে দেখিয়েছেন দারুণ ধারাবাহিকতা। ৪৬.৭৫ গড়ে চার ইনিংসে ১৮৭ রান তুলে তিনি জানান দিয়েছেন নিজের সামর্থ্যের কথা।

সেন্ট্রাল জোনের শিরোপা জয়ে নাইম শেখের যোগ্য সারথি ছিলেন ২১ বছর বয়সী তরুণ মাহফিজুল ইসলাম। চার ইনিংসে ৫৪ গড়ে ১৬৩ রান করেছেন এই ব্যাটার। নামের পাশে রয়েছে দুইটি অর্ধশতক হাঁকানোর কীর্তি।

এবারের আসরে অনবদ্য এক শতক হাঁকিয়ে নিজের দক্ষতা নতুন করে জানান দিয়েছেন অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক আকবর আলী। এই শতকের সুবাদে চার ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ গড়ে ১৫২ রান সংগ্রহ করেছেন তিনি।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link