যেকোন মূল্যে মুস্তাফিজুর রহমানকে নিজেদের দলে চেয়েছিল দুবাই ক্যাপিটালস। আইএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে নিজের করা প্রথম বলেই কারণটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন দ্য কাটার মাস্টার। প্রথম বলেই উইকেট তুলে নিয়ে শুভ সূচনা করেন বাংলাদেশের তারকা পেসার।
দুবাই ক্যাপিটালস একেবারে প্রথম থেকেই মুস্তাফিজকে দলে নিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সাথে সাংঘর্ষিক হবে বিধায়, ছাড়পত্র নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। এরপর দুবাই মুস্তাফিজের পরিবর্তে হায়দার আলীকে দলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। সবশেষ বিপিএল পিছিয়ে যাওয়ায়, মুস্তাফিজ উড়ে গেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের মরুর বুকে।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের পরই সেখানে পৌছান মুস্তাফিজ। গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে শুরুর একাদশেই রাখা হয় মুস্তাফিজুর রহমানকে। বদলি হিসেবেও ব্যবহৃত হননি ফিজ। এতেই বোঝা যায় মুস্তাফিজের জন্য ঠিক কতটুকু উন্মুখ হয়ে ছিল দুবাই ক্যাপিটালস ফ্রাঞ্চাইজি।

তাদের সেই আগ্রহের প্রতিদান দিতে বিন্দুমাত্র দেরী করেননি মুস্তাফিজ। নিজের কাটারের মুন্সিয়ানায় তিনি রহমানুল্লাহ গুরবাজকে নিজের শিকারে পরিণত করেন। এখানেই শেষ নয়। দূর্বার গতিতে রান তুলতে থাকা লঙ্কান ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কাকে আউট করে দুবাইকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ করে দেন মুস্তাফিজুর রহমান।
প্রথম দুই ওভারে ২১ রান হজম করা মুস্তাফিজ, তার তৃতীয় ওভারে খরচ করেন মোটে দুই রান। ওই ওভারের প্রথম বলেই তিনি আউট করেন পাথুম নিসাঙ্কাকে। সেখান থেকেই বরং একটু হালে পানি পায় দুবাই ক্যাপিটালস। নিজের চতুর্থ ওভারে মাত্র চার রান খরচায় ম্যাচ আরও জমিয়ে তোলেন ফিজ। ৩০ বলে ৩৩ রানের সমীকরণকে তিনি বাড়িয়ে ২৪ বলে ২৯ রানে পরিণত করেন।
এদিন পূর্ণ চার ওভার বল করে স্রেফ ২৭ রান খরচ হয় মুস্তাফিজের। বিনিময়ে গালফ টাইটান্সের দুই ওপেনারকে আউট করেন তিনি। তাতে অন্তত লড়াই করবার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। কিন্তু বাকিদের ব্যর্থতায় এদিন আর জয় পাওয়া হয়নি দুবাই ক্যাপিটালসের। তবে মুস্তাফিজ অন্তত প্রমাণ করেছেন সামর্থ্যের কারণেই তার এতটা কদর।












