ফার্স্ট বয় নাহিদ!

প্রথম পর্বে মুস্তাফিজের সাথে প্রায় একই সময়ে শেষ করেছেন হাসান মাহমুদ। দ্বিতীয় পর্বে তানভির ইসলামেরও প্রতিদ্বন্দ্বী আছে। কারণ, ‘লাস্ট’ হওয়ার মিশনে সেখানে তাঁর সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছেন তাসকিন আহমেদ ও শামিম পাটোয়ারি।

ফিটনেসে টেস্টের ফার্স্ট বয় নাহিদ রানা, বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের সুপারস্টার। মাত্র পাঁচ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে তিনি ১৬০০ মিটার দৌঁড়ে তাঁক লাগিয়ে দিয়েছেন।

নাহিদ রানা ছিলেন প্রথম গ্রুপে। সেখানে তিনিই স্বাভাবিক ভাবে বিজয়ী ছিলেন। দ্বিতীয় জনের চেয়ে বেশ ব্যবধান রেখেই তিনি দৌঁড় শেষ করেন। দ্বিতীয় হন মুশফিকুর রহিম। অনেকটা পেছন থেকে এসে তিনি দ্বিতীয় হয়ে দৌঁড় শেষ করেন। প্রথম গ্রুপে সবার শেষে পৌঁছেছেন আরেক পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।

সাত সকালে গুলিস্তানের জাতীয় স্টেডিয়ামের অ্যাথলেটিক্স টার্ফে দুই ভাগে বিভক্ত করে ফিটনেস পরীক্ষা হয় জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকা ক্রিকেটারদের। সেখানে দ্বিতীয় গ্রুপে প্রথম হন তানজিম হাসান সাকিব। তিনি ১৬০০ মিটার দৌঁড়াতে সময় নেন পাঁচ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড।

মানে দুই গ্রুপ মিলিয়েই প্রথম নাহিদ রানা। সাম্প্রতিক সময়ে মাঠের পারফরম্যান্সে আশার আলো জ্বলতে পারছেন না নাহিদ রানা। তবে, এর মধ্যেই ফিটনেস টেস্টে তাক লাগিয়ে দিলেন।

রীতি অনুযায়ী ১৬০০ মিটারের এই রেস ছয় মিনিট ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে শেষ করার নিয়ম। সেই হিসেবে আক্ষরিক অর্থেই অবাক করেছেন নাহিদ রানা ও তানজিম হাসান সাকিব। যদিও, দুই গ্রুপের ‘লাস্ট বয়’ যথাক্রমে মুস্তাফিজুর রহমান ও তানভির ইসলাম।

অবশ্য, এখানে ছোট্ট একটু দ্বিধাও আছে। কারণ, প্রথম পর্বে মুস্তাফিজের সাথে প্রায় একই সময়ে শেষ করেছেন হাসান মাহমুদ। দ্বিতীয় পর্বে তানভির ইসলামেরও প্রতিদ্বন্দ্বী আছে। কারণ, ‘লাস্ট’ হওয়ার মিশনে সেখানে তাঁর সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছেন তাসকিন আহমেদ ও শামিম পাটোয়ারি।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link