উইন্ডহুকের মাঠ সাক্ষী হলো এক নতুন ইতিহাসের। শেষ বলের শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে দক্ষিণ আফ্রিকাকে চার উইকেটে হারাল নামিবিয়া। ভরা গ্যালারি বুনো উল্লাসে মেতে উঠল। অবশ্য এমনটাই তো হওয়ার কথা, প্রথম বারের মতো যে এমন কীর্তি গড়ল তারা।
লক্ষ্যটা ছিল ১৩৫ রানের। আফ্রিকাকে হারানোর সুপ্ত বাসনা তখন থেকেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছিল বোধহয় নামিবিয়া শিবিরে। ব্যাট হাতে যার শুরুটাও হয়েছিল একেবারে স্বপ্নের মতো। পাওয়ার প্লে শেষে দুই উইকেট হারিয়ে নামিবিয়ার সংগ্রহ দাঁড়াল ৪৬ রান।
তবে আফ্রিকার বোলিং আক্রমণের সামনে একটা সময় সম্ভাবনার জোয়ারে অবশ্য ভাটা পড়েছিল। সেটা প্রবল হলো শেষ দুই ওভারে যখন রান দরকার ২৩। স্বপ্ন ছুঁতে হলে যে অবিশ্বাস্য কিছু করতেই হবে। সেটাই করলেন জ্যান গ্রীন। ব্যাট হাতে ২৩ বলে ৩০ রান করে হলেন নামিবিয়ার স্বপ্নদ্রষ্টা।

১৯ তম ওভারের শুরুটা করলেন লিজাড উইলিয়ামসের বলে চার হাঁকিয়ে। শেষটাতে ওই ওভার শেষে আসল ১২ রান। অর্থাৎ সমীকরণ দাঁড়াল ছয় বলে ১১ রানের।
গ্রীন ভালো করেই জানতেন এই ছয় বলের বাধা টপকালেই এক রূপকথার গল্প বাস্তবিক হয়ে ধরা দেবে। তাই তো প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে সহজ করলেন নিজের পথ। ম্যাচ গড়ালো শেষ বল পর্যন্ত। তখনও বাকী এক রান। গ্রীন ডিপ মিডউইকেট দিয়ে চার আদায় করলেন, ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকলেন।
মুদ্রার ওপিঠে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এই ম্যাচটা এক হতাশা হয়ে থাকল। কুইন্টন ডি ককের প্রত্যাবর্তনের রঙ ধূসর বর্ণ ধারণ করল এদিন। অ্যাসোসিয়েট দলের মধ্যে কেবল নেদারল্যান্ডসই ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল, আর আজ নামিবিয়ার চার উইকেটে জয় তুলে সেই তালিকায় নতুন নাম লিখল। তৈরি হলো আরও এক ইতিহাস।












