নাসুমের রেকর্ড গড়া প্রথম ফাইফার

ধুকতে থাকা নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়নি নাসুম আহমেদ। তার কল্যাণেই নোয়াখালীকে লজ্জার খাঁদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে সিলেট টাইটান্স। 

নাসুম আহমেদের ফাইফার। তার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ক্যারিয়ারে প্রথম ফাইফার তিনি তুলে নিলেন নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে। এমনকি এটিই তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার। দুর্ধর্ষ বোলিং ফিগার। তার কল্যাণেই নোয়াখালীকে লজ্জার খাঁদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে সিলেট টাইটান্স।

ধুকতে থাকা নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়নি নাসুম আহমেদ। একাই প্যাভিলিয়নে ফিরিয়েছেন তাদের পাঁচ ব্যাটারকে। নোয়াখালীর আস্থার স্তম্ভ সৌম্য সরকারের উইকেট দিয়ে এদিন নিজের ব্যক্তিগত মিশন শুরু করেন নাসুম। এরপর তিনি থামেন বিলাল সামির উইকেট তুলে নিয়ে।

নিজের ব্যক্তিগত চতুর্থ ওভারে তিন উইকেট তুলে নেন নাসুম। যদিও সেই তিন ব্যাটারের তিনজনই ছিলেন বোলার। মেহেদী হাসান রানা, জহির খান সেই সাথে বিলাল। সৌম্যর উইকেটের পর নাসুমের শিকারে পরিণত হন নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী। তাতে করে স্রেফ ৬১ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালীর ইনিংস।

ব্যক্তিগত চার ওভারে নাসুমের খরচা হয়েছে মোটে ৭ রান। কোন মেইডেন ওভার ছাড়াই তিনি ডট দিয়েছেন ২০টি বল। তাতে করে বিপিএল ইতিহাসে, দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানের বিনিময়ে পাঁচ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়েছেন নাসুম আহমেদ। নিদেনপক্ষে পাঁচ উইকেট শিকার করা বোলারদের মধ্যে, বাংলাদেশি হিসেবে সর্বনিম্ন রান খরচ করার রেকর্ডটাও এখন লেখা হয়ে গেছে নাসুম আহমেদের নামে।

কুয়াশাচ্ছন্ন সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নাসুম যেন নিজের দলকে দিলেন সূর্যালোকের স্বাদ। টানা দুই পরাজয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সিলেট টাইটান্স। কিন্তু এদফা আবারও জয়ের ধারায় ফেরার সুযোগটা পেল দলটি নাসুমের হাত ধরে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link