নিজেরা ডুবেছিল আগেই, এবার ঢাকা ক্যাপিটালসকে নিজেদের সঙ্গী বানানোর একটা মঞ্চ তৈরি করে ফেলল নোয়খালী এক্সপ্রেস। ঢাকার প্লে-অফ খেলার স্বপ্নের প্রদীপে জ্বালানির সংকট সৃষ্টি করেছে তারা। ৪১ রানের বড় জয়ে নোয়াখালী পেয়েছে টানা দ্বিতীয় জয়ের দেখা।
এদিন ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। এদিন অভিষেক ঘটে আফগান ক্রিকেটার হাসান ইসাখিলের। অভিষেকেই মঞ্চ মাতিয়েছেন মোহাম্মদ নবীর বড়ছেলে। বাবা-ছেলে একসাথে বাইশ গজে- এমন স্বপ্নের মত দৃশ্য মঞ্চস্থ করেছেন আফগানিস্তানের দুই ক্রিকেটার।
তবে বাবার চাইতে এদিন উজ্জ্বল ছিলেন ইসাখিল। তার খেলা ৯২ রানের ইনিংসটিই নোয়াখালীর জয়ের মঞ্চের ভীত প্রস্তুত করে দিয়েছিল। সাথে সৌম্য সরকারও জানান দিচ্ছিলেন নিজের সক্ষমতা। তবে সৌম্য ৪৮ রান করে আউট হওয়ার পর, নোয়াখালীর আর কোন ব্যাটারই তাল মেলাতে পারেননি ইসাখিলের সাথে। তাতে করে ১৮৪ রানেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদেরকে।

মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাইজুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল মামুন- এই তিন বাংলাদেশি বোলার ছিলেন ঢাকার উইকেট শিকারি। প্রত্যেকের ঝুলিতে যুক্ত হয়েছিল দুইটি করে উইকেট। ১৮৫ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামার আগেই হয়ত মানসিকভাবে পিছিয়ে পড়েছিল ঢাকা ক্যাপিটালসের ব্যাটিং ইউনিট।
তাদের উপর সৃষ্টি হওয়া চাপকে দ্বিগুণ করেছেন নোয়খালীর বোলাররা। ১৯ রান তুলতেই ঢাকা ক্যাপিটালস হারায় চার উইকেট। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন লড়াইটা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। তার সঙ্গী হিসেবে শামীম হোসেন পাটোয়ারি শেষ দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কেউই আসলে শেষ অবধি চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেননি নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে।
যার ফলে স্রেফ ১৪৩ রানেই গুটিয়ে যায় ঢাকা ক্যাপিটালস। তাদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৩ রান আসে মিঠুনের ব্যাট থেকে। তবে ১৬ বলে ২৯ রানে শামীম আউট হলে জয়ের সব আশা সেখানেই নিরাশায় পরিণত হয়। নোয়াখালীর পাঁচ বোলারই পেয়েছেন উইকেটের দেখা। এই জয়ের নোয়াখালীর ভাগ্যে আহামরি পরিবর্তন না এলেও, ঢাকার ক্ষতি হয়ে গেছে অনেকটাই। চার ম্যাচ বাকি থাকলেও, সমীকরণের দোলাচলে পড়ে যেতে পারে ঢাকা।











