পাল্লা সমান, ভারতের মাথায় হোয়াইটওয়াশের দুশ্চিন্তা!

গুয়াহাটি টেস্টে দুই দলের লড়াইটা হলো একেবারে সমান তালে। দিনশেষে রান আর উইকেটের হিসাবে সমতা রাখল দুই দলই। তবে মরণ-বাঁচন ম্যাচে বাড়তি চাপটা কিছুটা হলেও ভোগাচ্ছে স্বাগতিক ভারতকে।

গুয়াহাটি টেস্টে দুই দলের লড়াইটা হলো একেবারে সমান তালে। দিনশেষে রান আর উইকেটের হিসাবে সমতা রাখল দুই দলই। তবে মরণ-বাঁচন ম্যাচে বাড়তি চাপটা কিছুটা হলেও ভোগাচ্ছে স্বাগতিক ভারতকে।

গুয়াহাটিতে টসে জিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটিংটাই বেছে নেয়। প্রথম টেস্ট জয়ের আত্মবিশ্বাস পুঁজি করে চাপহীন ক্রিকেটটাই খেলার লক্ষ্য তাদের। শুরুটা তাই নিজেদের করে নেন এইডেন মার্করাম এবং রায়ান রিকেলটন মিলে। ৮২ রানের জুটি গড়ে প্রথম সেশনটা করে নেন নিজেদের। ভারতের সাফল্য বলতে জাসপ্রিত বুমরাহর নেওয়া এক উইকেট।

লাঞ্চের পরই কুলদীপ যাদবের হানা, সেট ব্যাটার রায়ান রিকেলটনকে ফিরিয়ে আলো ফেরান ভারত শিবিরে। তবে বিপর্যয় ধেয়ে আসার আগেই সামলে নেন টেম্বা বাভুমা এবং ট্রিস্টান স্টাবস মিলে। ১৫৬ রান তুলে দ্বিতীয় সেশনটা আবারও নিয়ে নেন নিজেদের দখলে।

ভারতের আকাশে আরও এক সংশয়ের কালো মেঘ একটু একটু করে ঘনিভূত হতে থাকে। চালকের আসন থেকে যে তখন প্রায় ছিটকে গেছে তারা। তবে শেষবেলায় জাদেজা এগিয়ে আসেন, বাভুমাকে ফিরিয়ে আশা জাগিয়ে দেন। সে সাথে আরও একবার ত্রাতা হয়ে আসেন কুলদীপ। ট্রিস্টান স্টাবসকে শিকার করেন তিনি, সাথে সেট হওয়ার আগেই ওয়েন মুল্ডারকে দেখিয়ে দেন সাজঘরের পথ।

ম্যাচে একটু একটু করে ফিরে আসে ভারত। তবুও দুশ্চিন্তা তখনও পুরোপুরি কাটেনি। অগত্যা পড়ন্ত বিকেলে শেষ আঘাতটা আনেন মোহাম্মদ সিরাজ। শিকার করেন টনি ডি জর্জিকে। আর তাতেই ২৪৬ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে দিন শেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর তাতেই দিনশেষে স্কোরবোর্ডে দুই দলের আধিপত্যটা দাঁড়ি–পাল্লার বিচারে সমান সমান।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link