বলের আনন্দ হয়ে নেইমারের আগমন

ম্যাথেউস কুনহা মাঠ ছাড়লেন এক গাল হাসি মুখে নিয়ে। বদলি হওয়ার সময় কেউ এভাবে হাসে নাকি! হাসে যখন, তাঁর পরিবর্তেই মাঠে নামেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

ম্যাথেউস কুনহা মাঠ ছাড়লেন এক গাল হাসি মুখে নিয়ে। বদলি হওয়ার সময় কেউ এভাবে হাসে নাকি! হাসে যখন, তাঁর পরিবর্তেই মাঠে নামেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

হ্যাঁ, অবশেষে মাঠে নামলেন নেইমার। দুই হাত তুলে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন। ব্রাজিলের আক্রমণের ধার বাড়ালেন। গোলমুখে একাধিক আক্রমণ করলেন, গোল মুখে একটা শটও নিলেন। জানিয়ে দিলেন, দ্বিতীয় পর্বের জন্য নেইমারের ব্রাজিল প্রস্তুত।

আগেই জানা গিয়েছিল গ্রুপ পর্বের সবগুলো ম্যাচ খেলতে পারবেন না নেইমার। হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের পরই কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলে দিয়েছিলেন, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার।

অবশেষে সেই অপেক্ষার প্রহর শেষ হল। ব্রাজিলের ভরসার প্রতীক হয়ে আবারও নেইমার মাঠে নামলেন। ৯৮২ দিন পর হলুদ জার্সি পরে বিশ্বকাপের বলটাতে পা ছুঁয়ে দিলেন। এতটা আনন্দ বোধহয় এই বিশ্বকাপের বলকে আর কেউ দিতে পারেনি। এই আনন্দ যত দীর্ঘায়িত হবে, বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ পথ ততই সুন্দর হবে।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link