নেইমার জুনিয়র, তিনি এক অসমাপ্ত প্রতিভা

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আক্ষেপটা বোধহয় নেইমার জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডের থাকার কথা ছিল যুগের সেরা মেসি ও রোনালদোর পাশেই। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, সম্ভাবনাও যেন ধীরে ধীরে কমেছে।

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আক্ষেপটা বোধহয় নেইমার জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডের থাকার কথা ছিল যুগের সেরা মেসি ও রোনালদোর পাশেই। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, সম্ভাবনাও যেন ধীরে ধীরে কমেছে। এবার সেই সম্ভাবনাকে ‘অসমাপ্ত প্রতিভা’ বলে আখ্যা দিলেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক মিডফিল্ডার এমানুয়েল পেটি। তাঁর মতে, মাঠের বাইরের কৃতকর্মই নেইমারকে ধ্বংস করেছে।

পেটি বলেন, ‘আমি নেইমারের গুণের বড় ভক্ত ছিলাম। তার মধ্যে অসাধারণ প্রতিভা ছিল। সে ব্যালন ডি’অর জেতার মতো খেলোয়াড় হতে পারত। কিন্তু ইনজুরি, লাইফস্টাইল আর দায়িত্বজ্ঞানহীনতা তাকে তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে দেয়নি।’

রিভালদোর সঙ্গে তুলনার প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘রিভালদোর সঙ্গে নেইমারের তুলনা চলে না। রিভালদো বিশ্বকাপ ও ব্যালন ডি’অর জিতেছে কারণ তার মনোযোগ ছিল একমাত্র ফুটবলে। নেইমারের ছিল না।’

২০১৩ সালে সান্তোস থেকে বার্সেলোনায় এসে বিশ্বমঞ্চে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন নেইমার। কাতালানদের হয়ে ১৮৬ ম্যাচে ১০৫ গোল করে জিতেছেন দুইটি লা লিগা, একটি চ্যাম্পিয়নস লিগসহ মোট আটটি শিরোপা। এরপর ২০১৭ সালে বিশ্বরেকর্ড ট্রান্সফারে পিএসজিতে যোগ দেন। সেখানে ২০২০ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে দলকে তুললেও, ইনজুরির কারণে তার পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা ছিল না।

সবশেষে, ২০২৩ সালে সৌদি ক্লাব আল-হিলালে যোগ দিয়ে মাত্র সাতটি ম্যাচ খেলে ইনজুরির কারণে ছিটকে পড়েন। ২০২৫ সালের শুরুতে আবেগঘনভাবে ফিরে যান ছেলেবেলার ক্লাব সান্তোসে। সেখানেও ৯টি ম্যাচ খেলেছেন মাত্র।

৩৩ বছর বয়সী নেইমার এখনো ইউরোপে ফিরতে পারেন, তবে তার ক্যারিয়ার নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। এক সময় যিনি বিশ্বসেরা হওয়ার দৌড়ে ছিলেন, এখন তাকে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে—তিনি কি সত্যিই তার প্রতিভার সঠিক ব্যবহার করতে পেরেছেন?

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link