গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলেও নেই বাড়তি সুবিধা!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে গিয়ে তৈরি হয়েছে এক ব্যতিক্রমী সমীকরণ। গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পর আট দল জায়গা করে নিয়েছে দ্বিতীয় রাউন্ডে। স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে, যারা নিজেদের গ্রুপে প্রথম হয়েছে তারা পরের ধাপে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে। তবে এবারের ফরম্যাটে চিত্রটা একটু আলাদা।

সুপার এইটের গ্রুপ নির্ধারণ করা হয়েছে টুর্নামেন্ট শুরুর কয়েক মাস আগে করা প্রি-সিডেড র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে। অর্থাৎ গ্রুপ পর্বের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে নতুন করে ড্র করা হয়নি। আগেই ঠিক করা ছিল কোন গ্রুপের কোন অবস্থানে থাকা দল পরবর্তী পর্বে কোন গ্রুপে যাবে।

আর সেই সূত্রেই তৈরি হয়েছে এক অদ্ভুত দৃশ্যপট। সুপার এইটের এক গ্রুপে জায়গা পেয়েছে ভারত, জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চার দলই নিজেদের গ্রুপে প্রথম হয়ে এসেছে।

 

অন্য গ্রুপে রয়েছে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান। এই চার দলই গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে। অর্থাৎ একটি গ্রুপে সব গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, আর অন্য গ্রুপে সব রানার্সআপ। ফরম্যাটের নিয়ম অনুযায়ী এটি আগেই নির্ধারিত ছিল, ফলে মাঠের পারফরম্যান্স সত্ত্বেও সুপার এইটে এসে একই অবস্থানের দলগুলো আলাদা হয়ে যায়নি।

এর ফলে সুপার এইটের প্রথম গ্রুপে প্রতিটি ম্যাচই হতে যাচ্ছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নদের লড়াই। শক্তির পরীক্ষায় সেখানে প্রতিটি পয়েন্টই হবে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে দ্বিতীয় গ্রুপেও রয়েছে চারটি অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী দল, যারা গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় হলেও যেকোনো সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখে।

সব মিলিয়ে, এবারের সুপার এইট বিন্যাস বিশ্বকাপে এনে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা। নিয়ম অনুযায়ী এগোনো এই কাঠামোতে এখন মূল আকর্ষণ, কে টিকে থাকবে শেষ চারে, আর কারা থামবে এই দ্বিতীয় পর্বেই। মাঠের লড়াইই দেবে তার চূড়ান্ত উত্তর।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link