চাহাল নাকি নূর – রহস্যে বড় কে?

নূর আহমেদ তার আইপিএল যাত্রা শুরু করেন ২০২৩ সালে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে। ২০২৫ সালের আসরে তিনি খেলছেন চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে। প্রথম ৩২ ম্যাচে তার শিকার ৩৮ টি উইকেট। বল হাতে গড় ২২.৬৩ এবং স্ট্রাইক রেট ১৭.৮।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) শীর্ষস্থানীয় রহস্য স্পিনাররা বরাবরই থাকেন চাহিদার শীর্ষে। এবারের আসরেও তেমনই আলোচনায় রয়েছেন আফগানিস্তানের নূর আহমেদ এবং ভারতের অভিজ্ঞ সেনানি যুজবেন্দ্র চাহাল। তবে আইপিএলে প্রথম ৩২ ম্যাচে এদের মধ্যে কার পরিসংখ্যান বেশি উজ্জ্বল?

নূর আহমেদ তার আইপিএল যাত্রা শুরু করেন ২০২৩ সালে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে। ২০২৫ সালের আসরে তিনি খেলছেন চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে। প্রথম ৩২ ম্যাচে তার শিকার ৩৮ টি উইকেট। বল হাতে গড় ২২.৬৩ এবং স্ট্রাইক রেট ১৭.৮।

অন্যদিকে, যুজবেন্দ্র চাহাল আইপিএল শুরু করেছিলেন ২০১৩ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে। প্রথম ৩২ ম্যাচে তার ঝুলিতে ছিল ৩৭ উইকেট, গড় ২৪.৩৫ এবং স্ট্রাইক রেট ১৮.১৬। অভিজ্ঞতার দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও, পরিসংখ্যানের কাগজে তরুণ নূর সামান্য এগিয়ে।

ইকোনমি রেটেও খুব কাছাকাছি এই দুই স্পিনার। নূরের ইকোনমি ৮.০৩, যেখানে চাহালের ছিল ৮.০৪। তবে সেরা বোলিং ফিগারে নূর এগিয়ে, চলতি মৌসুমে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ৪ উইকেট নিয়ে ১৮ রান দেন। চাহালের সেরা ছিল ৩/৪০।

জয় পাওয়ার ম্যাচে অবদান বিবেচনা করলে, নূর ১৪ জয়ের ম্যাচে নিয়েছেন ১৯ উইকেট, যেখানে তার গড় ছিল মাত্র ২০.৩৭। চাহাল সেই সংখ্যায় উইকেট পেয়েছেন ১৫টি, গড় ছিল ২৯.৮৫।

সব মিলিয়ে, প্রথম ৩২ ম্যাচের পরিসংখ্যানে নূর আহমেদ যুজবেন্দ্র চাহালের তুলনায় সামান্য হলেও এগিয়ে রয়েছেন। নূরের যাত্রাটা সবে শুরু হয়েছে, তবে চাহাল দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং রেকর্ডের হিসেবে এখনো আইপিএলের অন্যতম সফল স্পিনার।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link