ব্যাট নয়, আফিফ হোসেন জাদু দেখালেন বল হাতে। তুলে নিলেন জাতীয় ক্রিকেট লিগের এবারের আসরে প্রথম হ্যাটট্রিক। তবে এখানেই শেষ নয়, ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে নিজের দ্বিতীয় ফাইফারের দেখাও পেয়েছেন তিনি।
আফিফ মূলত করতে এসেছিলেন অনেকটা বাধ্য হয়ে। সতীর্থ পারভেজ জীবন নিজের ওভার করতে এসেছিলেন তখন। চার বল সম্পূর্ণ করার পর তিনি ইনজুরিতে পড়েন। অগত্যা বাকি দুই বল করার জন্য খুলনার অধিনায়ক ডেকে নেন আফিফকে।
এরপর থেকেই নিয়মিত বল শুরু করেন আফিফ। বরিশালের উইকেট পড়তে থাকে মুড়ি-মুড়কের মতো। ক্রমশ আফিফের বল যেন হয়ে ওঠে একেবারেই অপ্রতিরোধ্য।

ইনিংসের ৪২তম ওভার করতে এসেই মূলত হ্যাটট্রিকের দেখা পান তিনি। প্রথম বলে শামসুল ইসলাম অনিককে দেখান সাজঘরের পথ। পরের বলে আঘাত হানেন ইয়াসিন আরাফাতের উপর। উইকেটে তখন শেষ ব্যাটার হিসেবে প্রবেশ করেছেন রুয়েল মিয়া। আফিফের সামনে জেগে ওঠে সম্ভাবনা।
হ্যাটট্রিক বলে লেগ-বিফোরের জোরালো আবেদন করেন, আম্পায়ার সময়ক্ষেপন না করে আঙুল উঁচিয়ে জানান দেন এটা আউট। আর তাতেই আফিফ পূর্ণ করেন ষোলকলা। পেয়ে যান আসরের প্রথম হ্যাটট্রিকের দেখা।
শুধু হ্যাটট্রিকই নয়, সবমিলিয়ে শিকার করেছেন ছয় উইকেট। বরিশালের ব্যাটিং অর্ডারে একাই নামিয়েছেন ধস। তাঁর করা স্পেল ছিল ১০.৫ ওভারের। রান দিয়েছেন মাত্র ৩১, বিপরীতে ছয় ছয়টি উইকেট পুরেছেন নিজের ঝুলিতে।

অথচ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে রুয়েলের শিকার হয়ে শূন্যতেই ফিরেছিলেন আফিফ। বল হাতে যেন সেই শোধটাই তুলে নিলেন। সেই রুয়েলকে শূন্য রানেই ফিরিয়ে দিয়ে হ্যাটট্রিকের স্বাদ নিলেন।
Share via:











