মার্শের ব্যাটিং ঝড়ে উড়ে গেল নিউজিল্যান্ড

মিচেল মার্শের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৮২ রানের টার্গেট সহজেই উৎরে গেছে অজিরা।

একেবারে ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট। মিচেল মার্শের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৮২ রানের টার্গেট সহজেই উৎরে গেছে অজিরা। ২১ বল ও ছয় উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচটি জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মঙ্গানু-তে দুই দল হয়েছিল মুখোমুখি। টসে জিতে অস্ট্রেলিয়া প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত ফল দেয় খুব দ্রুতই। মাত্র ছয় রানের মাথায় তিন উইকেট হারায় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। সেখান থেকে ব্ল্যাকক্যাপসদের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে যান টিম রবিনসন। তিন নম্বর ব্যাটার হিসেবে ব্যাট করতে নেমে, তিনি টিকে ছিলেন একেবারে শেষ অবধি।

তবে কখনোই হননি তিনি খোলস বন্দী। ৬৬ বলে ১০৬ রানের বেশ কার্যকর এক ইনিংস খেলেছেন রবিনসন। পাঁচ ছক্কা ও ছয় চারে সাজানো শতক ছাড়ানো ইনিংসটি রবিনসনের প্রথম আন্তর্জাতিক শতক। এখন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের ১৬টি সাদা বলের ম্যাচে মাঠে নেমেছেন এই ব্যাটার।

এছাড়া ড্যারিল মিচেল ও বেভন জ্যাকবসের ছোট ছোট ইনিংসে ১৮১ রানের সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৬৭ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড। হেডের বিদায়ের পর ম্যাথু ওয়েডের সাথে জুটি গড়ে লক্ষ্য তাড়া করতে থাকেন মার্শ।

৪৩ বলে ৮৫ রান করে থামেন মিচেল মার্শ। ততক্ষণে অবশ্য জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। টিম ডেভিড দলকে আর পথভ্রষ্ট হতে দেননি। ১২ বলে ২১ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন অস্ট্রেলিয়ান এই পাওয়ার হিটার। বেশ বড়সড়ো এই জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link