একটা উপদেশে বদলে দেয় অভিষেকের বিশ্বকাপ ভাগ্য

অভিষেক শর্মার জন্য নিদারুণ বাজে এক স্মৃতি বনে যেতে পারত ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু অধিনায়ক সুরিয়াকুমার, কোচ গৌতম গম্ভীর ও সতীর্থ হার্দিক পান্ডিয়ার একটি উপদেশই বদলে দিয়েছিল দৃশ্যপট।

টানা তিনটি ডাক থেকে ফাইনালের মঞ্চে শিরোপা জেতানোর অন্যতম কারিগর। অভিষেক শর্মার জন্য নিদারুণ বাজে এক স্মৃতি বনে যেতে পারত ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু অধিনায়ক সুরিয়াকুমার, কোচ গৌতম গম্ভীর ও সতীর্থ হার্দিক পান্ডিয়ার একটি উপদেশই বদলে দিয়েছিল দৃশ্যপট।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপে যখন অভিষেক পা রাখেন- ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই অভিষেককে ঘিরে প্রত্যাশার পারদ ছিল আকাশচুম্বী। বিশ্বকাপে আসার আগেই তো তিনি দুর্ধর্ষ ব্যাটিংয়ের অবাধ্য আগ্রাসনের প্রতিরুপ হয়ে উঠেছিলেন। ২০০ ছাড়ানো স্ট্রাইকরেটকে রীতিমত নিয়মিত বানিয়ে ফেলেছিলেন অভিষেক।

কিন্তু সেই একই অভিষেক বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের স্নায়ুচাপকে কাবু করতে পারলেন না। টানা তিনটি ইনিংসে আউট হলেন শূন্য রানে। এরপর যেন সমালোচনার তীব্র স্রোত বয়ে যেতে শুরু করে সর্বত্র। সেই স্রোত আঘাত করেছে অভিষেকের মস্তিষ্কেও। তিনি বলেন, ‘ধীরে ধীরে এসবের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যেতে হয়। কিন্তু সমালোচনা হলে খারাপ তো লাগেই। ভারতে এটা হবেই, কারণ মানুষ আপনার কাছ থেকে অনেক প্রত্যাশা করে।’

এরপরই তরুণ এই ক্রিকেটার যেন সমালোচনার স্রোতে ভেসে না যায়,  সেটা নিশ্চিত করতে সুরিয়া, গম্ভীর ও হার্দিক এগিয়ে আসেন। তারা প্রথমে তার হোটেল রুমে ঢুকে মোবাইল ফোন বাড়িয়ে দিয়ে বলেছিলেন সকল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন ডিলিট করে দিতে। সম্প্রতি এই বিষয়টি প্রকাশ করেছেন অভিষেক।

তিনি বলেন, ‘আমি যখন টানা তিনটি ম্যাচে শূন্য রানে আউট হলাম, তখন সুরিয়াকুমার যাদব, জিজি স্যার (গৌতম গম্ভীর) এবং হার্দিক পান্ডিয়া আমার কাছে এসে বলেছিল, ”ফোনটা ধর, এখনই সোশ্যাল মিডিয়া ডিলিট করে দে।” এই উপদেশ ভীষণ কাজে দিয়েছে অভিষেকের। ধীরে ধীরে তিনি বেড়িয়ে আসেন নেতিবাচকতার বলয় থেকে। আর তারপর তো মেগা ফাইনালের মঞ্চে স্বরুপে ফিরে জেতালেন শিরোপা।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link