আগের ম্যাচে যারা ব্যাটিং পাননি তাঁদের সবাইকে ব্যাট করার সুযোগ দিতে হবে। ওমানের বিপক্ষে ডেড রাবারে সেই পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। আর সেখানে পুরোপুরি সফল সুরিয়াকুমার যাদব ও ভারতের টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে, সুপার ফোরে ভারতের ব্যাটিং পরিকল্পনা কি হবে, তাঁর সূরাহা আদৌ হল না।
ব্যাটিং অনুশীলনের দিকে ভারতের মনোযোগ এতটাই ছিল যে সুরিয়াকুমার যাদব ব্যাটিংয়েই নামলেন না। আটটি উইকেট পরে গেলেও তিনি ব্যাট হাতে আসলেন না। বরং, সতীর্থদের জন্য অনুশীলনের সৃুযোগ করে দিলেন।

ওপেনিং পেয়ার আগের মতই ছিল। সেখানে শুভমান গিল ব্যর্থ হলেও আগের মত ঝড় তোলেন অভিষেক শর্মা। ১৫ বলে ৩৮ রান করে ফিরে যান অভিষেক। দুবাইয়ের পরীক্ষাগারের মূল কাজ শুরু হয় এর পর থেকেই।
তিনে সাঞ্জু স্যামসন, চারে হার্দিক পান্ডিয়া নামেন। সাঞ্জু হাফ সেঞ্চুরি করলেও মন ভরাতে পারেননি। হার্দিক পান্ডিয়া নন-স্ট্রাইকিং এন্ডে দুর্ভাগ্যজনক এক রান আউটের শিকার হন। পরিবর্তিত পরিকল্পনায় তিলক ভার্মাকে সাত নম্বরে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি ১৮ বলে ২৯ রান করেন।

পাঁচ নম্বরে নামা অক্ষর প্যাটেল টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিত এই পজিশনেই খেলে আসছেন। সেখানে এদিনও তিনি সফল। ওমানের বিপক্ষে করেন ১৩ বলে ২৬ রান। যদিও, এবার তিনি কোথায় খেলবেন সেটা আদৌ নিশ্চিত নয়।
বলাই বাহুল্য, ব্যাটিং পজিশন নিয়ে এত ছেলেখেলার পরও দিব্যি বর্তে যায় ভারত। নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রান করে। চলতি এশিয়া কাপে এটাই কোনো দলের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। স্রেফ নিয়ম রক্ষার ম্যাচেও নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার এই মানসিকতা আর সেখানেও নিজেদের পরিকল্পনা পুরোপুরি সফল করা – সব বিষয়েই অনন্য ভারত।











