বৈষম্যের কোন ঠাঁই নেই, সেটা প্রমাণে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ইসিবির আছে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও বিধান রয়েছে। পাকিস্তানি খেলোয়াড় ইস্যুতে এভাবেই কড়া হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। দ্য হান্ড্রেডের নিলামে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের স্রেফ তাদের দেশের পরিচয়ে অবজ্ঞা করা হলে- ছেড়ে কথা বলবে না ইসিবি।
সম্প্রতি ইংল্যান্ডের দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টের নিলামে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের। অন্যদিকে টুর্নামেন্টির চারটি ফ্রাঞ্চাইজির মালিকানা রয়েছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফ্রাঞ্চাইজিগুলোর। যার কারণে ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক বৈরীতাকে পুঁজি করে চারিদিকে চাওড় হয়েছিল সেই চার ফ্রাঞ্চাইজি নিজেদের দলে কোন পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে অন্তর্ভুক্ত করবে না।

তাতেই বেশ সরগরম হয়ে পড়েছিল ক্রিকেট পাড়া। আসন্ন দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টের নিলামের জন্য মোট ৯৬৪ জন খেলোয়াড় নিবন্ধন করেছেন। যাদের মধ্যে আছেন ৬৭ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটারও। ফলে চার ফ্রাঞ্চাইজি স্রেফ জাতীয়তাবাদের দোহাই দিয়ে খেলোয়াড়দের বঞ্চিত করলে তা নেতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিত ক্রিকেট বিশ্বে।
সেটাকে কঠোর হস্তে দমন করতে কড়া ভাষায় প্রেসরিলিজ দিয়েছে ইসিবি। সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘দ্য হান্ড্রেড চালু করা হয়েছিল ক্রিকেট খেলাটিকে আরও বিস্তৃত পরিসরে নতুন দর্শকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে এবং এটা নিশ্চিত করার জন্য যে জাতিগত পরিচয়, লিঙ্গ, ধর্ম, জাতীয়তা বা অন্য যেকোনো পরিচয় নির্বিশেষে সবাই ক্রিকেটে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত মনে করতে পারে।’

অতএব দ্য হান্ড্রেডে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের দল পাওয়া নিয়ে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তা কেটে গেছে। এমনকি ইসিবি এটাও নিশ্চিত করেছে আটটি দলই পুনঃরায় সম্মতি দিয়েছে যে, খেলোয়াড় দলে ভেড়ানোর ক্ষেত্রে কোন ধরণের বৈষম্যের আশ্রয় নেওয়া হবে না।











