চার চারবার ক্যাচ মিস হয়েছে পাথুম নিসাঙ্কার। এমন ভাগ্য থাকে ক’জনার? না, এবারই প্রথম এমন ঘটেছে তেমনটি নয়। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে আরও দুইবার। ইংল্যান্ডের জেসন রয় ও পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ এমন ভাগ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন এর আগে।
এতবার প্রাপ্ত সুযোগকে একেবারেই হেলায় হারিয়ে ফেলেননি পাথুম নিসাঙ্কা। ব্যক্তিগত ১৭তম অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। এবারের এশিয়া কাপে এটা তার টানা দুইটি ফিফটি। এর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষেও ফিফটি হাঁকিয়েছিলেন তিনি। তার অর্ধশতকের ভর করেই মূলত দুইটি ম্যাচেই জয়ের ভীত গড়তে পেরেছে শ্রীলঙ্কা।
শ্রীলঙ্কা দলের বেশ গুরুত্বপূর্ণ এক সদস্য এই পাথুম নিসাঙ্কা। লঙ্কানদের ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়ার কাজটা তিনি করে যাচ্ছেন নিয়তান্ত্রিকভাবে। সাম্প্রতিক সময়ে ২০২২ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন দলটির টপ অর্ডার থেকেই রান আসছে সবচেয়ে বেশি। যার অধিকাংশই নির্ধারিত হয় পাথুমের ব্যাটে।

এমন গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যাটারের ক্যাচ চার চার বার ছেড়ে দিয়েছে হংকং। সেখানেই বরং তারা ম্যাচের লাগাম হারিয়েছেন প্রতিবার। এদিন সাত বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছেছে লঙ্কানদের তরী। ১৫০ রানের লক্ষ্যমাত্রা টপকাতে শ্রীলঙ্কার ছয়টি উইকেটের পতন ঘটেছে। অতএব শ্রীলঙ্কাকে বেশ চাপেই ফেলে দিয়েছিল হংকং।
সেই চাপ দ্বিগুণ হতে পারত যদি পাথুম নিসাঙ্কাকে ফেরানো যেত দ্রুততম সময়ে। নিসাঙ্কা যখন ২৪ রানে ব্যাট করছেন তখন হংকংয়ের খেলোয়াড়দের কাছ থেকে ছোটে প্রথম ক্যাচ। যদিও সে ক্যাচ তালুবন্দী করা বেশ কঠিনই ছিল। এরপর আবার ৪০ রানের মাথায় ক্যাচ মিস হয় পাথুমের। এরপর তিনি যখন ৬৩ রানে পৌছেছেন, তখনও ক্যাচ মিস হয়। পরে সেটি বাউন্ডারিতেও পরিণত হয়।
৬৮ রানের মাথায় রানআউট হওয়ার আগে আরও একটি জীবন পান নিসাঙ্কা। চতুর্থবারের মত তিনি জীবন নিসাঙ্কাকে উপহার না দিলে হয়ত আরও আগেই শ্রীলঙ্কার মিডল অর্ডার এক্সপোজ হয়ে যেত। আর তাদের মিডল অর্ডারের দুর্দশাময় দিনে, হয়ত হংকং লিখে ফেলতে পারত ইতিহাস। তবে তেমনটি আর হয়নি শেষমেশ।












