পড়বে না যাদের পায়ের চিহ্ন

প্রায় এক হাজার জনের মত ক্রিকেটার এবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলার জন্য নিজেদের নাম আইপিএলে তুলেছিলেন। এর মধ্য গুটিকয়েক ক্রিকেটারকে দলে ভিড়িয়েছে আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিগুলো।

অনেক ক্রিকেটারই এবার প্রথমবারের মত আইপিএলে দল পেয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ঝাই রিচার্ডসন, ডেভিড মালান এবং কাইল জেমিসন। সব ক্রিকেটারের স্বপ্ন থাকে আইপিএল খেলার। কারণ এখানে থাকে প্রচুর অর্থ পাবার সম্ভাবনা সাথে প্রচুর গ্ল্যামার।

আবার আইপিএলে কিছু ক্রিকেটারের দল না পাওয়া অনেক ক্রিকেটমোদীকেই করেছে বিষন্ন। যেসব ক্রিকেটার গতবারের আইপিএলে ছিলেন এবারের আইপিএলে তাদের মধ্যে অনেকেই দেখা যাবে না। শুধু আইপিএলে দল না পাওয়াকে কেন্দ্র করে নয়, ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর কারণেও অনেকেই এইবারের আইপিএলে মাঠে নামতে পারবেন না। কেউ কেউ তো আবার আইপিএল খেলেনই না।

  • জেমস প্যাটিনসন (অস্ট্রেলিয়া)

গতবারের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন জেমস প্যাটিনসন। গতবারের আইপিএলে দলে থাকা সত্ত্বেও খেলতে আসেননি লাসিথ মালিঙ্গা। তাঁর পরিবর্তে দল সুযোগ পেয়েছিলেন প্যাটিনসন।

এইবারের আইপিএলে নাম তোলেননি তিনি। কারণ তিনি আইপিএলের এই সময়টাতে পরিবারকে সময় দিতে চান। এছাড়াও বায়ো বাবলের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ব্যস্ত সফরসূচীতে নিয়মিত খেলেছেন তিনি। আর এই কারণেই বায়ো বাবলের বাইরের থাকতেই এই সিদ্দান্ত নিয়েছেন জেমস প্যাটিনসন।

  • ডেল স্টেইন (দক্ষিণ আফ্রিকা)

ডেল স্টেইনকে বিবেচনা করা হয় তাঁর সময়ের সেরা একজন পেসার হিসেবে। গত বারের আইপিএলে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে খেলেছিলেন তিনি। এই আসরে মাত্র তিন ম্যাচ খেলে বলার মত কিছুই করতে পারেননি তিনি।

ডেল স্টেইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে সবাইকে জানান তিনি এই বারের আইপিএল খেলতে চান না। তিনি এটাও জানান তিনি ক্রিকেট থেকে অবসর নেননি বরং তিনি কিছুদিনের জন্য একটা বিরতি চান। যদিও স্টেইন তাঁর সেরা সময়ে নাই, তবুও দর্শকরা তাঁকে আইপিএলে দেখতে চায়।

  • জো রুট (ইংল্যান্ড)

বর্তমান সময়ে ব্যাটিংকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান জো রুটের। বেশ কয়েকবারই আইপিএলের নিলামে ছিলেন জো রুট। কিন্তু ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি সংস্করণের দলে না থাকার কারণে কখনই আইপিএল খেলা হয়ে উঠেনি তাঁর।

জো রুটের টি-টোয়েন্টিতে বেশ ভালো খেলা এবং তাঁর বর্তমান ফর্মে ছিলেন তাতে তাঁকে যেকোনো দলই নিতে পারতো। কিন্তু কোনো দলই নিলামে তাঁকে দলে ভিড়ায়নি।

  • মিশেল স্টার্ক (অস্ট্রেলিয়া)

মিশেল স্টার্ক সর্বশেষ আইপিএল খেলেছিলেন ২০১৫ সালে। এরপর আর কখনো আইপিএলে দেখা যায়নি তাকে। এরপরেও আইপিএলে দুই মৌসুমে দুইটি দল তাকে কিনেছিলো কিন্তু মৌসুম শুরু আগে ইনজুরিতে পড়ে খেলতে পারেননি তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সব সংস্করণেই বেশ গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার মিশেল স্টার্ক। তাঁর উপর ম্যাচ খেলার চাপ কমাতে চাচ্ছে টিম অস্ট্রেলিয়া। এই কারণেই বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেট লিগ আইপিএলে খেলতে পারছেন না তিনি।

  • লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা)

আইপিএল ইতিহাসের সেরা বোলার হলেন লাসিথ মালিঙ্গা। গতবারের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের দলে ছিলেন তিনি। কিন্তু করোনার সময়ে বায়ো বাবলে থাকবেন না বলে গতবারের আইপিএলে খেলতে আসেননি তিনি।

এর আগের প্রত্যেক আইপিএল মৌসুমেই খেলেছিলেন লাসিথ মালিঙ্গা। সাম্প্রতিক সময়ে ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছেন তিনি। এর কারণেই এবারের আইপিএলে খেলতে দেখা যাবে না তাকে।

লেখক পরিচিতি

খেলাকে ভালোবেসে কি-বোর্ডেই ঝড় তুলি!

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link