বিপিএলে সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্যাচ নিয়েছেন যারা!

ক্যাচ মিস মানে ম্যাচ মিস। ক্রিকেট পাড়ার চিরন্তন সত্য। যে দল ম্যাচে যত কম ক্যাচ হাতছাড়া করবে, দিনশেষে জয়ের পাল্লাটা তাদের দিকেই যাবে। খেলা ৭১-এর আজকের আয়োজন ক্যাচ নিয়ে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরে পাঁচজন কত ক্যাচ তালুবন্দি করতে পেরেছেন, চলুন দেখে নেওয়া যাক।

ক্যাচ মিস মানে ম্যাচ মিস। ক্রিকেট পাড়ার চিরন্তন সত্য। যে দল ম্যাচে যত কম ক্যাচ হাতছাড়া করবে, দিনশেষে জয়ের পাল্লাটা তাদের দিকেই যাবে। খেলা ৭১-এর আজকের আয়োজন ক্যাচ নিয়ে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরে পাঁচজন কত ক্যাচ তালুবন্দি করতে পেরেছেন, চলুন দেখে নেওয়া যাক।

তানজিদ হাসান তামিম

বিপিএল দ্বাদশ আসরে চ্যাম্পিয়ন দল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সবখানেই তারা নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। এই দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ তালুবন্দি করেছেন তানজিদ হাসান তামিম। ১৩ ম্যাচে নিয়েছেন ১১ ক্যাচ। এক ম্যাচে সর্বাধিক তিনবার বল জমা পড়েছে তাঁর বিশ্বস্ত হাতে।

লিটন কুমার দাস

এবারের বিপিএলে সেরা ফিল্ডার নির্বাচিত হয়েছেন লিটন দাস। দস্তানা হাতে নয়, গ্রাউন্ড ফিল্ডিংয়ে দেখিয়েছেন নিজের মুন্সিয়ানা। রংপুর রাইডার্সের হয়ে ১১ ম্যাচে নিয়েছেন ১০ ক্যাচ। এক ম্যাচে সর্বোচ্চ নিয়েছেন তিনটি।

শাহিবজাদা ফারহান

এক ম্যাচেই পাঁচ ক্যাচ তালুবন্দি করেছিলেন শাহিবজাদা ফারহান। ভালো ফিল্ডার হিসেবে বেশ সুনাম রয়েছে তাঁর। বিপিএলেও সেটাই ধরে রাখলেন। নয় ম্যাচে নয় ক্যাচ ধরেছেন তিনি।

আমির জামাল

চট্টগ্রাম রয়্যালসের জার্সিতে বল হাতে যেমন কার্যকরী ভূমিকা রেখেছেন, তেমন ফিল্ডিংয়েও অবদান রেখেছেন আমির জামাল। ১০ ম্যাচে নামের পাশে ক্যাচ সংখ্যা সাতটি। এক ম্যাচে সর্বোচ্চ দুই ক্যাচ তালুবন্দি করেছেন তিনি।

শরিফুল ইসলাম

এবারের আসরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন শরিফুল ইসলাম। সেটা অবশ্য বল হাতে ২৬ উইকেট তুলে নেওয়ার জন্য। তবে ফিল্ডিংটাতেও যে ফোকাস হারাননি তিনি। ১২ ম্যাচ খেলে ক্যাচ লুফে নিয়েছেন সাতটি। এক ম্যাচে সর্বোচ্চ দুটি ক্যাচ নিয়েছেন তিনি।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link