কলম্বিয়ার সামনে অসহায় পর্তুগাল!

গোলশূন্য স্কোরলাইন দেখে যে কেউ ভাবতেই পারেন ম্যাচটি ছিল নিরস, কিংবা দুই দলের রক্ষণভাগের নিছক লড়াই। কিন্তু বাস্তবতা ছিল ঠিক উল্টো। মায়ামির মাঠে পর্তুগাল ও কলম্বিয়া এমন এক ম্যাচ উপহার দিয়েছে, যেখানে পুরোটা সময় ছিল এক আক্রমণ আর প্রতিআক্রমণের লড়াই। গোলশূন্য ম্যাচ হলেও এই লড়াইয়ে নিঃসন্দেহে বিজয়ীর নামটা কলম্বিয়াই।

দুই দলেরই পরের রাউন্ড নিশ্চিত ছিল আগে থেকেই। তবে এক আদিম জেদ চেপে বসেছিল কলম্বিয়ার ওপর। কাগজে-কলমে ফেবারিট পর্তুগালকে যেন নির্মম বাস্তবতার সামনে ফেলল তারা।

প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি করেছিল কলম্বিয়া। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙেচুরে চুরমার করেছে। নুনো মেন্ডিসদের ঘাম ছুটেছে কলম্বিয়ার আক্রমণ সামলাতে। তবে শেষটাতে সোনার হরিণের সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিরতিতে তাই স্কোরলাইন ০-০।

পর্তুগাল মাঝে মাঝে ঝলক দেখিয়েছে, তবে কলম্বিয়ার তুলনায় নিতান্তই কিছু না। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছেন প্রতিপক্ষের দাপট।

এভাবেই গেছে ৯০ মিনিট। অতিরিক্ত সময়ে অবশ্য পর্তুগালের জাল কেঁপে ওঠে। তবে অফসাইডে বাতিল করা হয় সেই গোল। ফলাফল, গোলশূন্য ড্র। পর্তুগালের সামনে একরাশ হতাশা পড়ে রইল শুধু। অন্যদিকে ‘কে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন আসনটা বাগিয়ে নিল কলম্বিয়া।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link