গম্ভীরের শান্ত থাকার টোটকায় সুরিয়ার ঝলক

সংকটের মুহূর্তে একজন ব্যাটারের সবচেয়ে বড় শক্তি তার মানসিক স্থিরতা। আর ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ভারতের ম্যাচে সেই স্থিরতারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠলেন অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদব। ম্যাচ শেষে তিনি জানালেন এই ইনিংসের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের শান্ত ও বাস্তববাদী পরামর্শের।

সংকটের মুহূর্তে একজন ব্যাটারের সবচেয়ে বড় শক্তি তার মানসিক স্থিরতা। আর ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ভারতের ম্যাচে সেই স্থিরতারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠলেন অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদব। অপরাজিত ৮৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে দলকে দিয়েছেন ২৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জয়ও। ম্যাচ শেষে তিনি জানালেন এই ইনিংসের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের শান্ত ও বাস্তববাদী পরামর্শের।

ম্যাচের মাঝপথে ভারতের অবস্থা ছিল বেশ নড়বড়ে। ১২.৪ ওভারে স্কোরবোর্ডে তখন ছয় উইকেট হারিয়ে ৭৭ রান মাত্র।। একেবারে ধস নামার মতো পরিস্থিতি। উইকেটে ব্যাট হাতে দায়িত্ব তখন অধিনায়ক সুরিয়ার কাঁধে। ধীরে ধীরে ইনিংস গড়ে তোলেন, পরিস্থিতি বোঝেন, তারপর যান আক্রমণে

ম্যাচের মধ্যেই বিরতিতে গৌতম গম্ভীরের মাঠে এসে কথা বলেছেন সুরিয়ার সাথে। বিপর্যয়ের মুহূর্তে দলের গুরু তার ওপর অবিচল আস্থা রেখেছিলেন।

ম্যাচ শেষে সুরিয়া জানান, তিনি শুরু থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন উইকেটটি খুব বেশি একটা ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি নয়। তার ধারণা ছিল এটি ১৪০ রানের উইকেট, ১৮০-১৯০ নয়। ১৪ ওভার শেষে বিরতির সময় গম্ভীরও তাকে একই বার্তা দেন। তিনি বলেন, ”শুধু শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করার চেষ্টা করো। তুমি যেকোনো সময় রান তুলে নিতে পারবে।”

গম্ভীরের সেই পরামর্শই ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে। কোচ যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে, সুরিয়ার ভাণ্ডারে থাকা শটের বৈচিত্র্য যেকোনো মুহূর্তেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। সুরিয়াও কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে একটুও ভুল করেননি।

এই ইনিংস শুধু ম্যাচ জেতায়নি, ইতিহাসেও জায়গা করে দিয়েছে সুরিয়াকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর এটি। এছাড়াও বিরাটকে টপকে ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ (১৭টি) ম্যাচসেরা পুরষ্কার অর্জনের কীর্তিও গড়েন তিনি।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link