আইয়ারের ছোঁয়ায় পাঞ্জাবের জয়!

শ্রেয়াস আইয়ার যেন এক জাদুর কাঠি, যেখানেই যান সে জায়গাটাই বদলে দেন। কখনও ব্যাট হাতে কখনও নেতৃত্ব গুণে, আইয়ার যেন সাফল্যের চাবিকাঠি। যেটা ব্যবহার করে জয়ের হাসি হাসল পাঞ্জাব কিংস, আর সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ রানের পাহাড় গড়েও পুড়ল পরাজয়ের আগুনে।

শ্রেয়াস আইয়ার যেন এক জাদুর কাঠি, যেখানেই যান সে জায়গাটাই বদলে দেন। কখনও ব্যাট হাতে কখনও নেতৃত্ব গুণে, আইয়ার যেন সাফল্যের চাবিকাঠি। যেটা ব্যবহার করে জয়ের হাসি হাসল পাঞ্জাব কিংস, আর সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ রানের পাহাড় গড়েও পুড়ল পরাজয়ের আগুনে।

কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে পাঞ্জাব কিংসে এসে প্রথম আসরেই ফাইনালে তুলেছিলেন দলকে। আগের বছর চ্যাম্পিয়ন না হলেও নতুন আসরে পুরোনো ধারা বজায় রেখে যাচ্ছেন শ্রেয়াস আইয়ার। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে জেতালেন আরও একবার।

এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে হায়দ্রাবাদের শুরুটা হয়েছিল একেবারে দশে দশ। দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা আর ট্রাভিস হেড মিলে পাঞ্জাবের বোলারদের তুলোধোনা করে ছেড়েছেন। পাওয়ারপ্লেতেই শতরান এসে যায় হায়দ্রাবাদের।

দলীয় রান যখন ১২০ তখন ফেরেন হেড। আর, এরপর থেকেই কমে যেতে থাকে রানের গতি। অভিষেক শর্মা ফেরেন ২৮ বলে ৭৪ রানের এক টর্নেডো খেলে। ঈষাণ কিশান আর হেইনরিখ ক্লাসেনের ছোট ইনিংসে ভর করে হায়দ্রাবাদ ২০ ওভার শেষে তোলে ২১৯ রান।

তাড়া করতে নেমে পাঞ্জাবের ওপেনাররাই বা পিছিয়ে থাকবেন কেন? প্রিয়ানশ আরিয়া আর প্রভসিমরান সিং, দুজনেই তুলে নেন ঝড়ো গতির অর্ধশতক। অল্প সময়ের ব্যবধানে দুইজনেই সাজঘরে ফিরে গেলেও খুব বেশি সমস্যা হয়নি পাঞ্জাব কিংসের জন্য।

একা হাতে হাল ধরেন অধিনায়ক শ্রেয়াস। পাঁচটি করে চার আর ছক্কার ইনিংস খেলে একেবারে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি। ৬৯ রান করেন ৩৩ বলে। ২২০ রানের লক্ষ্য দিলেও হায়দ্রাবাদের কোনো বোলারই ভয় ধরাতে পারেননি প্রতিপক্ষের সামনে।

এখনো পর্যন্ত একবারও আইপিএলের শিরোপা না জেতা পাঞ্জাব কিংস শ্রেয়াসের দেখানো পথে উড়ছেই বলা যায়। এই আসরে একবারও না হারা দলটি হায়দ্রাবাদকে ছয় উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে শক্ত করলো নিজেদের অবস্থান।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link