রিশাদ হোসেন খেলেছিলেন আগের চার ম্যাচে। দলের জয় আসেনি কোনোটিতেও। কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিরুদ্ধে তাই তাঁকে ছাড়াই নেমেছিল রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজ। কিন্তু, এরপরেও বিজয় হয়ে রইলো অধরাই।
শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার স্যাম হার্পার দ্রুত ফিরে গেলে বিপাকে পড়ে কোয়েটা। সেখান থেকে হাল ধরেন অধিনায়ক সাউদ শাকিল আর রাইলি রশো। সাউদ ৪২ করে ফিরলেও রশো তুলে নেন অর্ধশতক।
হাসান নেওয়াজ করেন ৩৯ রান। তাঁর ১৬ বলের ইনিংসে ছিল পাঁচ ছক্কার মার। তার সাথে জাহানদাদ খানের ছয় বলে ২১ রানে ভর করে কোয়েটা ইনিংস শেষ করে ছয় উইকেট হারিয়ে ১৮২ রানে।

১৮৩ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই ফিরে যান রাওয়ালপিন্ডির অধিনায়ক রিজওয়ান। দেশি কিংবা বিদেশি, কোনো প্রকারের ব্যাটারই পিন্ডিজের হাল ধরতে সক্ষম হননি।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে রিশাদের দল। ম্যাচের কোনো পর্যায়েই জেতার মতো অবস্থা তৈরি করা সম্ভব হয়নি তাদের পক্ষে। শেষ পর্যন্ত ১২১ রানে অলআউট হয়ে পিন্ডিজ ম্যাচ হারে ৬১ রানে।
পিন্ডিজের দলে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে খেলছেন লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেন। নিজের খেলা ম্যাচগুলোতেও যেমন দলকে এনে দিতে পারেননি আশানুরূপ ফল। তেমনি, রিশাদকে বাদ দিলেও হারের বৃত্ত থেকে বের হওয়া হলো না পিন্ডিজের।











