যে কোন মূল্যে শ্রেয়াস আইয়ারকে দলে চেয়েছিল পাঞ্জাব কিংস, কিন্তু কেন? নিলাম ঘরে তার পেছনে অর্থ খরচে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেনি পাঞ্জাব ফ্রাঞ্চাইজি। ২৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে তাকে দলে নিয়েছেন পাঞ্জাব কিংস। আর এই ক্রয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছেন পাঞ্জাবের কোচ রিকি পন্টিং।
নিলাম ঘরে যে শ্রেয়াস আইয়ারের দাম হবে চড়া, সেটা অনুমেয় ছিল। ঠিক আগের মৌসুমেই তিনি কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বানিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু তবুও তাকে ধরে রাখেনি কলকাতা। অবশ্য এক্ষেত্রে খেলোয়াড়ের ইচ্ছেও প্রাধান্য পেয়েছে। আর এই সুযোগটাই লুফে নিয়েছে পাঞ্জাব, বিশেষ করে রিকি পন্টিং।
রিকি পন্টিং ও শ্রেয়াস আইয়ার, দু’জনে একসাথে এর আগেও কাজ করেছেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মঞ্চে। সেবার তারা দিল্লি ক্যাপিটালসের পতাকাতলে ছিলেন। সেবার দিল্লিকে নিয়ে ফাইনালে উঠেছিল পন্টিং-আইয়ার জুটি। সেই ধারাবাহিকতাতেই পন্টিং এবার নতুন ফ্রাঞ্চাইজিতেও তাকে দলে ভেড়াতে চেয়েছে যেকোন মূল্যে।

দলটি ভারতীয় এক অধিনায়কের সন্ধানে ছিল। আর সদ্যই চ্যাম্পিয়ন হওয়া অধিনায়কের চাইতে ভাল বিকল্প আর কেই-বা হতে পারে। পন্টিং এই বিষয়ে বলেন, ‘আমার আর মালিকদের লক্ষ্য ছিল একটাই: সম্ভাব্য সেরা ভারতীয় অধিনায়ককে দলে নেওয়া। আর শ্রেয়াসের জন্যে আমরা নিলামে যা করেছি তা আমাদের লক্ষ্যের স্পষ্ট প্রতিফলন।’
এখন অবধি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের কোন শিরোপা ঘরে তুলতে পারেনি পাঞ্জাব ফ্রাঞ্চাইজি। স্বাভাবিকভাবেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার তীব্র বাসনা রয়েছে দলটির। ঠিক সে কারণেই একজন দৃঢ় চরিত্রের অধিনায়কত্ব প্রয়োজন ছিল দলটি। রিকি পন্টিং বিশ্বাস করেন মাঠের খেলা শুরু হওয়ার পর অধিনায়কের উপর থাকে ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণের সিংহভাগ দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ‘খেলা শুরু হলে দলের দায়িত্ব চলে যায় অধিনায়কের হাতে। কোচ তখন খুব বেশি কিছু করার সুযোগ পান না। যদিও জয়-পরাজয়ের দায় আমার।’ তবে শ্রেয়াসকে পেয়ে বেজায় খুশি পাঞ্জাব ও পন্টিং। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে পন্টিং বলেন, ‘আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত অধিনায়ক পেয়ে গেছি। দলের আশেপাশে ও দুর্দান্ত ছাপ রেখে যাচ্ছে।’












