পাঞ্জাবের ত্রাতা কুপার কনোলি!

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের উজ্জ্বলতম প্রতিভা, এই তকমা নামের পাশে জুড়ে গেছে কুপার কনোলির। বিগ ব্যাশে মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ারও ছিলেন তিনি। কেন তাঁকে নিয়ে এত চর্চা, তা দেখালেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মঞ্চে, নিজের প্রথম ম্যাচেই।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের উজ্জ্বলতম প্রতিভা, এই তকমা নামের পাশে জুড়ে গেছে কুপার কনোলির। বিগ ব্যাশে মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ারও ছিলেন তিনি। কেন তাঁকে নিয়ে এত চর্চা, তা দেখালেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মঞ্চে, নিজের প্রথম ম্যাচেই।

গুজরাট টাইটেন্সের দেওয়া লক্ষ্যটা ছিল ১৬৩ রানের। তবে চেজ করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খেতে হয় পাঞ্জাবকে। সাত রানে হারাতে হয় প্রথম উইকেট। তখনই আগমন অভিষিক্ত কুপার কনোলির।

যদিও তিন নম্বর পজিশনটাতে আসার কথা শ্রেয়াস আইয়ারের। তবে এই প্রজন্মের সবচেয়ে বড় অজি ট্যালেন্ট বলে কথা, জায়গাটা তাই ছেড়ে দিলেন তিনি।

কাপ্তান যে ভুল করেননি, সেটার প্রমাণ দিতে খুব বেশি সময় নিলেন না কনোলি। নিজের আয়ত্তে একটু একটু করে গুটিয়ে নিতে থাকেন ম্যাচটাকে। সক্ষমতার সবটা নিংড়ে দেওয়া যাকে বলে। চোখেমুখে আত্মবিশ্বাসের ঝলকানি, আইপিএলের মঞ্চটা যেন তার বড্ড পরিচিত। দেখে বোঝার উপায় নেই, ২২ বছর বয়সী ছোকরা প্রথমবার এসেছে এ তল্লাটে।

প্রভসিমরান সিংয়ের সঙ্গে ৭৬ রানের জুটি, সবটা ঠিকই যাচ্ছিল, তবে ১১০ থেকে ১১৮, এর মাঝে চার উইকেট হারিয়ে বসে পাঞ্জাব। নিজের চোখের সামনে সাজানো সংসার ভেঙে যাওয়ার ব্যথা অনুভব করেছেন। তবে পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য হয়েই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন।

ফিফটি এসেছে ব্যাটে। তবে কাজটা শেষ হয়নি যে। দাঁড়িয়ে থেকে দলকে জেতানোর আত্মতৃপ্তি উপভোগ করার তীব্র বাসনা জেগেছিল। সেটা করেছেনও। ৪৪ বলে ৭২ রানের হার না মানা ইনিংস এসেছে ব্যাট থেকে। বুঝিয়ে দিয়েছেন, কেন তাঁকে নিয়ে ক্রিকেট পাড়ায় এত চর্চা।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link