বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এলো বৃষ্টি!

বৃষ্টিতে ভেসে গেল বাংলাদেশের ম্যাচ। যুব ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাই পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হলো আজিজুল হাকিম তামিমদের। তবে তাতে কোনো ক্ষতি হলো বরং আখেরে লাভটা হলো বাংলাদেশেরই।

বৃষ্টিতে ভেসে গেল বাংলাদেশের ম্যাচ। যুব ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাই পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হলো আজিজুল হাকিম তামিমদের। তবে তাতে কোনো ক্ষতি হলো বরং আখেরে লাভটা হলো বাংলাদেশেরই।

বুলাওয়ের মেঘলা আকাশ, দফায় দফায় বৃষ্টির হানা। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরেই টস হলো। কয়েনটা অবশ্য পড়ল বাংলাদেশের পক্ষেই। তামিম নিলেন ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত। তিন ওভার কাটা হলো, অর্থাৎ ৪৭ ওভারের ম্যাচ।

শুরুতেই ইকবাল হোসেন ইমনের হানা। ১১ রানেই এক উইকেট খোয়া যায় নিউজিল্যান্ডের। এরপর অবশ্য খুব বেশি একটা সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশের বোলাররা। ১০ ওভারে এক উইকেটের বিনিময়ে যখন ৫১ রান তুলেছে কিউইরা তখন বৃষ্টির হানা।

এরপর আর মাঠে গড়ায়নি একটি বলও। অবিরাম বৃষ্টির ধারা অবশ্য বাংলাদেশের জন্য এক অর্থে আশীর্বাদ হয়েই এলো। প্রথম ম্যাচ ভারতের কাছে হারতে হয়েছে। এই ম্যাচে তাই জয়ের বিকল্প কিছুই ছিল না। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে কাজটা যে খুব সহজ ব্যাপার ছিল না।

প্রতি গ্রুপ থেকে শীর্ষ তিন দল যাবে পরের রাউন্ডে। বাংলাদেশের সামনে তাই কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছিল। তবে সেই কাজটা সহজ করে দিল বৃষ্টি। কেননা নিউজিল্যান্ড-আমেরিকার প্রথম ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। এবার বাংলাদেশের সাথেও একই চিত্র।

বি গ্রুপে দুই জয় নিয়ে ভারতের সর্বোচ্চ চার পয়েন্ট, তারা পরের রাউন্ড নিশ্চিত করে ফেলেছে। দুই ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় নিউজিল্যান্ডের পয়েন্টও দুই। বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র সমান এক পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তিন এবং চার নম্বর অবস্থানে।

বাংলাদেশের সামনে এখন হিসাবটা খুব সহজ। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ম্যাচ জিতলেই পরের রাউন্ড নিশ্চিত হয়ে যাবে। বৃষ্টি বাগড়া দিলেও নেট রানরেটের হিসাবে বাংলাদেশই যাবে পরের রাউন্ডে। তবে হারা যাবে না কোনো অবস্থাতেই। তাহলে যে আসর শেষ হবে গ্রুপ পর্বেই।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link